1. successrony@gmail.com : Mehedi Hasan Rony :
  2. rj.nazmul2500@gmail.com : Nazmul Hossain : Nazmul Hossain
শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ০৩:৫৬ অপরাহ্ন
জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা
৬০দিন
:
০৮ঘণ্টা
:
৩৫মিনিট
:
০২সেকেন্ড

রোহিঙ্গাদের জন্য ১০ লাখ ইউরো দেবে ইতালি

দিনলিপি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ১৫ বার

বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে সম্মত হয়েছে ঢাকা ও রোম। গতকাল রোমে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জিউসেপ কোঁতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ ঐকমত্য হয়। এ ছাড়া, রোহিঙ্গাদের সহায়তায় বর্তমান সহযোগিতার অতিরিক্ত আরও ১০ লাখ ইউরো দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইতালি। খবর : বাসস।

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব

ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের বলেন, উভয় প্রধানমন্ত্রী দু’দেশের পারস্পরিক স্বার্থে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। প্রায় এক ঘণ্টার এ বৈঠকে দুই প্রধানমন্ত্রী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সার্বিক দিক নিয়ে আলোচনা করেন এবং দু’দেশের বর্তমান আর্থ-সামাজিক অবস্থানে সন্তোষ প্রকাশ করেন। ইতালির প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন পালাজ্জো চিগিতে এ বৈঠক হয়।

শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনাকে ফলপ্রসূ হিসেবে বর্ণনা করে জিউসেপ কোঁতে বলেন, এর মধ্য দিয়ে ঢাকার সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আলোচনাকালে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করেন। প্রেস সচিব জানান, জিউসেপ কোঁতে প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়ার আপনার ‘সুপার হিউম্যান’ উদ্যোগ প্রশংসনীয়।

প্রেস সচিব আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের নির্দেশনা মেনে চলতে মিয়ানমারকে বাধ্য করতে ইতালিসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান। ইতালিকে বাংলাদেশের মহান বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তার এ সফরের পর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

এদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গার্ড অব অনারও প্রদান করে ইতালি। স্বাগতিক প্রধানমন্ত্রী জিউসেপ কোঁতে এ সময় তার পাশে ছিলেন।

জিয়া, এরশাদ, খালেদা এ মাটির সন্তান নয় : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জিয়াউর রহমান, এইচএম এরশাদ ও খালেদা জিয়া বাংলাদেশের উন্নয়নের ব্যাপারে আন্তরিক ছিলেন না। কারণ তাদের কারও জন্মই এ দেশের মাটিতে হয়নি। তিনি বলেন, একমাত্র আমার বাবা এবং আমি এ মাটির সন্তান। আমরা ছাড়া এ পর্যন্ত যারা ক্ষমতায় এসেছেন, তারা বাংলাদেশের বাইরে থেকে এসেছেন। জিয়াউর রহমান বিহারে, এরশাদ কোচবিহারে ও খালেদা জিয়া শিলিগুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।

রোম সফররত প্রধানমন্ত্রী গতকাল আওয়ামী লীগ ইতালি শাখা আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। রোমের পার্কো দে প্রিন্সিপি গ্র্যান্ড হোটেলে দেওয়া সংবর্ধনায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সন্তান হিসেবে এ মাটির প্রতি আমার কিছু কর্তব্যবোধ রয়েছে। দেশের উন্নয়নের জন্য দেশকে ভালোভাবে জানা অপরিহার্য। সঠিক পরিকল্পনা ও সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা একটি দেশকে অবশ্যই বদলে দিতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর যারা ক্ষমতায় এসেছেন, তারা দেশের উন্নয়নের কথা কখনই ভাবেননি। ক্ষমতাকে আমরা মনে করি জনগণের জন্য কাজ করার সুযোগ; সেবা করার সুযোগ। আমি জনগণের সেবক হিসেবেই কাজ করে যাচ্ছি। আওয়ামী লীগ শুধু দেশের উন্নয়ন চায়। আমাদের আর কেউ পেছনে টানতে পারবে না। আমরা সামনে এগিয়ে যাব।

বাংলাদেশের সব উন্নয়ন প্রকল্পের ৯০ শতাংশ এখন নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন হয় জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন আমরা উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে বলি না বাংলাদেশকে ভিক্ষা দেওয়ার কথা। তারাই বরং এখন আমাদের কাছে আসে।

বাংলাদেশের বিমানবন্দরে অনেক সময় প্রবাসীদের হয়রানির শিকার হওয়ার বিষয়টি বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আসলে আমাদের দেশের কিছু মানুষের চরিত্রই খারাপ। যেই শোনে বাইরে থেকে আসছে, তখনই ভাবে একটু চাপ দিলেই মনে হয় কয়েকটা ডলার পাওয়া যাবে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুুল মোমেন, ইতালি আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ইদ্রিস ফরাজী এবং ইতালি প্রবাসী হোসনে আরা বেগম প্রমুখ।

এ জাতীয় আরো সংবাদ