1. successrony@gmail.com : Mehedi Hasan Rony :
  2. rj.nazmul2500@gmail.com : Nazmul Hossain : Nazmul Hossain
বুধবার, ২০ জানুয়ারী ২০২১, ০৩:৫৯ অপরাহ্ন

অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে না, আলেম সমাজ ঐক্যবদ্ধ রয়েছেন

দিনলিপি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৩৯ বার

সরকার কখনই নতজানু নীতিতে বিশ্বাস করে না জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন- ‘আলেম-ওলামাদের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। কোনভাবে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে না, সে ব্যাপারে আলেম সমাজ ঐক্যবদ্ধ রয়েছেন।’

আজ মঙ্গলবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুর পৌনে একটায় আলেম-ওলামাদের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে সচিবালয়ে ব্রিফ করে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এসময় তিনি বলেন- ‘আলেম-ওলামাদের ফেসবুকে উসকানি দিয়ে বিষয়টি ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে এক শ্রেণির মানুষ।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন- বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য থাকবে কি থাকবে না এ বিষয়ে আলেম-ওলামাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আলেমদের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং এটা চলবে।

এর আগে সোমবার (১৪ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ নিয়ে চলমান অস্থিরতা নিরসনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের সঙ্গে বৈঠক করেছেন কওমি আলেম ও হেফাজত নেতারা।

বৈঠক শেষে হেফাজতে ইসলামের নেতারা জানিয়েছেন, বৈঠক সফল হয়েছে। হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির নুরুল ইসলাম জিহাদী সাংবাদিকদের জানান, আলোচনা সফল ও সন্তোষজনক হয়েছে, আলোচনা চলবে।

বৈঠকে কওমি মাদ্রাসার সম্মিলিত শিক্ষা বোর্ড- হাইয়াতুল উলইয়ার চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে আলেমদের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেন। এছাড়া আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ, মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, মাওলানা নূরুল ইসলাম জিহাদী, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা মুসলেহ উদ্দিন গওহরপুরী প্রমুখ অংশ নেন।

এর আগে গত ৫ ডিসেম্বর রাজধানীর যাত্রাবাড়ী মাদ্রাসায় শীর্ষ আলেমদের বৈঠক থেকে ৫ দফা প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে তারা সরকারের সঙ্গে বৈঠক করার প্রস্তাব করেন।

উল্লেখ্য, ঢাকায় ধোলাইপাড়ে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপনে হেফাজতে ইসলামের নেতাসহ কওমি আলেমরা বিরোধিতা করে আসছেন। এর মধ্যে গত ৪ ডিসেম্বর রাতের কোনো এক সময় কুষ্টিয়া পৌরসভার পাঁচ রাস্তার মোড়ে নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের ডান হাত, পুরো মুখ ও বাম হাতের অংশ বিশেষ ভেঙে ফেলা হয়। এ ঘটনার পরদিন কুষ্টিয়া পৌরসভার সচিব কামাল উদ্দীন কুষ্টিয়া মডেল থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন।

এছাড়া ভাস্কর্যবিরোধী বক্তব্য দেয়ার অভিযোগে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতা মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হক, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির মোহাম্মদ জোনায়েদ ওরফে জুনায়েদ বাবুনগরী ও সৈয়দ ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করা হয়।

ভাস্কর্য ইস্যুতে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিরসনে তাই আলেমরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার অনুমতি চান। করোনা পরিস্থিতির কারণে প্রধানমন্ত্রী এখন যেহেতু সরাসরি কোনো সভায় অংশ নেন না, তাই ভাস্কর্য ইস্যু নিয়ে আলেমদের সঙ্গে কথা বলতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দায়িত্ব দেয়া হয়। এরই প্রেক্ষাপটে আলেমদের সঙ্গে সভায় বসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এ জাতীয় আরো সংবাদ