1. successrony@gmail.com : Mehedi Hasan Rony :
  2. rj.nazmul2500@gmail.com : Nazmul Hossain : Nazmul Hossain
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন

আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রহমানের এপিএস ছাত্রদল নেতা!

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ১১৪ বার

আওয়ামী লীগের যুগ্ম -সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমানের এপিএস একজন ছাত্রদল নেতা। ২০ ও ২১ ডিসেম্বর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২১ তম জাতীয় ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দলের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে । সম্মেলনের প্রস্তুতিও বেশ ভালভাবে এগিয়ে চলছে। কারা কারা আগামী দিনে দলের নেতৃত্বে আসছেন তা নিয়েও রয়েছে নানারকম জল্পনা কল্পনা। চলছে বিভিন্ন রাজনৈতিক মারম্যাচ। দলকে শুদ্ধ করতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা শুরু করেছিলেন শুদ্ধি অভিযান, যা এখনো চলমান রয়েছে। দলে শুদ্ধি অভিযানের মূল লক্ষ্যই ছিল আগামী কাউন্সিলে যেন আওয়ামী লীগ শুদ্ধ হয়। কিন্তু দৃশ্যপট উল্টো। আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমানের এপিএস রইচ, যিনি একজন ছাত্রদল নেতা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রইচ উদ্দিন ফকির (২০০১-২০০২) ফরিদপুরের মধুখালী সরকারি আইন উদ্দিন কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ছাত্রদলের প্যানেল থেকে ধর্ম সম্পাদক পদে নির্বাচন করে। সে নির্বাচনে রইচ উদ্দিন ফকির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিতও হয়।

জানা যায়, রইচ দ্বারা তৎকালীন সময়ে বহু ছাত্রলীগ কর্মী কলেজ ক্যাম্পাসে নির্যাতিতও হয়। অনেক ছাত্রলীগ কর্মীর ছাত্রত্ব বাতিল করারও অভিযোগ রয়েছে রইচের বিরুদ্ধে।

পরবর্তীতে রইচ ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ মিটিং-এ অংশগ্রহণ করে। আর রইচ এখন ক্ষমতার মসনদে খোলস পাল্টে হয়ে গেছে আব্দুর রহমানের এপিএস।

জানা গেছে, শোভন-রাব্বানীর কমিটিতে সবচেয়ে ক্ষমতার বল প্রয়োগ করে এই রইচ। আরো জানা গেছে, ছাত্রলীগের পূর্নাঙ্গ কমিটিতে শোভন নিজের পছন্দের নাম দিতে পারেনি। সেখানে রইচের পছন্দমত নাম লিখতে হয়েছিল শোভনকে।

এর আগেও একটি অনলাইন পোর্টালে সংশ্লিষ্ট এরকম খবর প্রকাশ করা হয়েছিলো। তখন প্রকাশ হয়েছিলো, কমিটিতে ভালো পদে আসীন করা হয়েছে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমানের পছন্দের ব্যক্তিদের। বঞ্চিত করা হয়েছে দীর্ঘদিনের ত্যাগী পরিশ্রমী নেতাদের। ছাত্রলীগের বর্তমান ও সাবেক নেতারা অভিযোগ করেন , আসন্ন আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে নিজের পক্ষে বড় ধরনের শোডাউন করতেই দীর্ঘদিন পর আবদুর রহমান ছাত্রলীগের কমিটিকে এবার কব্জা করেছেন। পরবর্তীতে দেখা যায় ছাত্রলীগের পূর্নাঙ্গ কমিটিতে অধিকাংশ নেতা কর্মী অনুপ্রবেশকারী এবং বিতর্কিত । যার দরুন ছাত্রলীগ থেকে অব্যাহতি নিতে হয় শোভন-রাব্বানীকে। শোভন-রাব্বানীর কমিটিকে এখন ছাত্রলীগের ইতিহাসের সবচেয়ে কলঙ্কিত কমিটি বলা হয়।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের একজন জৈষ্ঠ নেতা জানান, আব্দুর রহমান দলের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। দলের টপ সিক্রেট মিটিং সে থাকে, আর তার এপিএস কীভাবে ছাত্রদলের নেতা হয় সেটা বোধগম্য হয় না। তিনি আরো জানান, বিষয়টা নিয়ে ইতিমধ্যে সমালোচনা চলছে সর্বত্র।

আওয়ামী লীগের আরেক কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, আব্দুর রহমানের মত একজন প্রভাবশালী নেতার এপিএস হওয়ার সুবাদে গণভবনেও রয়েছে রইচের অবাধ যাতায়াত। আওয়ামী লীগ এর বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের আশংকা তার মাধ্যমে দলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিএনপি জামায়াতের কাছে চলে যেতে পারে।

এ জাতীয় আরো সংবাদ