1. successrony@gmail.com : Mehedi Hasan Rony :
  2. rj.nazmul2500@gmail.com : Nazmul Hossain : Nazmul Hossain
শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী ২০২১, ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন

চট্টগ্রাম বন্দর সচল রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

দিনলিপি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২০
  • ২৩৬ বার

কনটেইনার জট কমাতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী। এদিকে জট কমাতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সব ধরনের পণ্য অফডকে খালাসের অনুমতি দিয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরকে বাংলাদেশের লাইফ লাইন উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বন্দর যে কোনো মূল্যে সচল রাখতে তারা বদ্ধপরিকর। করোনার জন্য কেউ প্রস্তুত ছিল না। বৈশ্বিক এ সমস্যা মোকাবেলায় সরকার সচেষ্ট। ঝুঁকি জেনেও বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কাজ করছেন। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যই তারা জীবনের এই ঝুঁকি নিচ্ছেন। চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে অপেক্ষমাণ জাহাজের সংখ্যা বর্তমানে ৩৩টি এবং এসব জাহাজে ৩৬ হাজার কনটেইনার রয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী ছাড়াও মন্ত্রণালয়ের সচিব মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল শেখ আবুল কালাম আজাদ, বন্দরের সদস্য জাফর আলম ও বন্দর সচিব ওমর ফারুক উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকালে প্রতিমন্ত্রী বন্দরের বর্তমান জট পরিস্থিতি, কীভাবে তা সামাল দেয়া যায় এসব বিষয় নিয়ে বন্দরের সম্মেলন কক্ষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে তিনি বন্দর ভবনের সামনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সংবাদ ব্রিফিং করেন।

চট্টগ্রাম বন্দরের শ্রমিকদের নিরাপত্তার বিষয়টিও উঠে আসে ব্রিফিংয়ে। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ সংকটময় মুহূর্তে প্রণোদনা বড় বিষয় নয়; বড় বিষয় হচ্ছে দায়িত্ব। যার যে দায়িত্ব তা সঠিকভাবে পালন করতে হবে। বন্দরে কাজ করতে গিয়ে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী বা শ্রমিক ক্ষতিগ্রস্ত হলে কর্তৃপক্ষ তা সুদৃষ্টি দিয়ে দেখবে।

এ সময় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, করোনাভাইরাসের প্রভাবে সাধারণ ছুটি ঘোষণা হওয়ার পর সব কর্মকাণ্ড বন্ধ হলেও চট্টগ্রাম বন্দর ছিল ব্যতিক্রম। চট্টগ্রাম বন্দর ২৪ ঘণ্টাই সচল ছিল। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের সহযোগিতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করে সচিব বলেন, ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার চেষ্টা করছে বন্দর। বাধা চিহ্নিত করে তা অপসারণের চেষ্টা করা হচ্ছে।

শর্তসাপেক্ষে অফডকে কনটেইনার খালাস : এদিকে জট কমাতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) শর্তসাপেক্ষে সব ধরনের পণ্য অফডকে সংরক্ষণ, আনস্টার্ফিং ও খালাসের অনুমতি দিয়ে বৃহস্পতিবার আদেশ জারি করেছে। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত এ সুবিধা বলবৎ থাকবে।

আদেশে বলা হয়েছে, অফডকে স্থানান্তরের সময় শতভাগ কনটেইনার স্ক্যানিং করতে হবে এবং স্ক্যানিং রিপোর্ট যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। এছাড়া বাণিজ্যিক পণ্য চালান খালাসের সময় চট্টগ্রাম কাস্টমস ও শুল্ক গোয়েন্দার কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে শতভাগ কায়িক পরীক্ষা করাতে হবে।

প্রসঙ্গত, এর আগে ১৮ এপ্রিল জট কমাতে ১৯টি অফডকে নির্ধারিত ৩৮ পণ্যের সঙ্গে নতুন আরও ৬টি পণ্য খালাসের অনুমতি দিয়েছিল এনবিআর। পণ্যগুলো ছিল- সব ধরনের বীজ, ফাইবার, ঔষধ প্রশাসনের অনুমোদিত ব্লকলিস্টের পণ্য, সুতা, কীটনাশক-বালাইনাশক এবং টায়ার কর্ড।

এ জাতীয় আরো সংবাদ