1. successrony@gmail.com : Mehedi Hasan Rony :
  2. rj.nazmul2500@gmail.com : Nazmul Hossain : Nazmul Hossain
রবিবার, ০৭ মার্চ ২০২১, ১০:২২ অপরাহ্ন

দীপন হত্যা মামলায় ৮ আসামির মৃত্যুদণ্ড

দিনলিপি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৮২ বার

জাগৃতি প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ফয়সল আরেফিন দীপন হত্যা মামলায় ৮ আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান এ আদেশ দেন।

বেলা ১২টা ২ মিনিটে ৫৩ পৃষ্ঠার রায় পড়া শুরু হয়। রায় শুনতে আদালতে দীপনের স্ত্রী রাজিয়া রহমানসহ আরও দুই স্বজন আদালতে হাজির হন। এর আগে বেলা ১১টা ২০ মিনিটে আদালতের হাজতখানা থেকে ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালে আসামিদের হাজির করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মেজর (বরখাস্তকৃত) সৈয়দ জিয়াউল হক জিয়া, আকরাম হোসেন ওরফে হাসিব ওরফে আবির ওরফে আদনান ওরফে আবদুল্লাহ, মইনুল হাসান শামীম ওরফে সামির ওরফে ইমরান, আবদুর সবুর সামাদ ওরফে সুজন ওরফে রাজু ওরফে স্বাদ, খাইরুল ইসলাম ওরফে জামিল ওরফে জিসান, আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাব, মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন ওরফে শাহরিয়ার এবং শেখ আবদুল্লাহ ওরফে জুবায়ের ওরফে জায়েদ ওরফে জাবেদ ওরফে আবু ওমায়ের। এদের মধ্যে প্রথম দু’জন পলাতক রয়েছেন।

গত ২৪ জানুয়ারি উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য এ তারিখ নির্ধারণ করেন আদালত। মামলায় ২৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।দীপন হত্যা মামলার রায় কেন্দ্র করে এদিন সকাল থেকেই আদালত ও এর আশেপাশের এলাকায় নেওয়া হয় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা।চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায়, আদালত এলাকায় পথচারীদের চলাচলে পুলিশের কড়া নজরদারি। আদালত প্রাঙ্গণে প্রবেশেও চলছে পুলিশি তল্লাশি। শিথিল করা হয়েছে সর্ব সাধারণের চলাচল।

নিরাপত্তার দায়িত্বে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীপন হত্যার রায়কে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার রাতে থেকেই আদালত প্রাঙ্গণ ও এর আশেপাশের এলাকায় তারা অবস্থান নিয়েছেন।

২০১৫ সালের ৩১ অক্টোবর রাজধানীর শাহবাগে আজিজ সুপার মার্কেটের নিজ অফিসে জাগৃতি প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ফয়সল আরেফিন দীপনকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। সেদিন বিকেলে তার স্ত্রী শাহবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর সন্ত্রাসবিরোধী আইনে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি দক্ষিণের সহকারী পুলিশ কমিশনার ফজলুর রহমান। চার্জশিটে ৮ জনকে অভিযুক্ত ও ১১ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুজিবুর রহমান নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের (এবিটি) সদস্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চাকরিচ্যুত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হকসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

এ জাতীয় আরো সংবাদ