1. successrony@gmail.com : Mehedi Hasan Rony :
  2. rj.nazmul2500@gmail.com : Nazmul Hossain : Nazmul Hossain
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ০৬:৫০ অপরাহ্ন

বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক সাহাবুদ্দিন ফরাজি

দিনলিপি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ১২৩ বার

আশির দশক হতে পারিবারিক ভাবে স্কুল কলেজ হতে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে লালন করে সক্রিয় ভাবে রাজনীতি করে চলছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক সাহাবুদ্দিন ফরাজি।

যিনি রাজনৈতিক জীবনে সাবেক সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন হলের সাবেক সভাপতি ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এছাড়াও ২০১৮ সালে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী হয়ে ছিলেন তিনি। বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক হিসেবে আছেন।

১৯৯০ এর গণঅভ্যত্থানের এবং ১৯৯৬ সালের খালেদা বিরোধী আন্দোলনের একজন অন্যতম বীর সৈনিক সাহাবুদ্দিন ফরাজি। স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলন ও পরবর্তী বিএনপি জামাত জোট সরকারের আমলে বার বার কারাবরণ করেছেন। মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই মেধাবি ছাত্রনেতা, ক্যাম্পাসে মুজিব রণাঙ্গণের দুঃসাহসি বিপ্লবী সৈনিক ছিলেন।

মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান হিসেবে তার পিতার দেশের জন্য রেখে যাওয়া অবদানের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে সাহাবুদ্দিন ফরাজি বিডি পলিটিকাকে বলেন, ১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময়ে আমার পিতা মরহুম হাজী আনোয়ার হোসেন ফরাজী মাদারীপুর থানা আ:লীগের সেক্রেটারী ছিলেন। তাকে পাকিস্তানী সেনারা ধরে এ.আর.হাওলাদার জুট মিলের টর্চার সেলে নিয়ে ১মাস বন্দি রেখে তার ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালিয়েছে। তার মুখের ৫টি দাঁত তুলে ফেলা হয় এবং তাকে পঙ্গু করে দেয়। সে সময় ইয়াহিয়া খানের সাধারণ ক্ষমায় মুক্তি পান বাবা।

তিনি বলেন, আমার বড় ভাই সিরাজ ফরাজি তখন ভারতে মুক্তিযোদ্ধার ট্রেনিংয়ের জন্য চাকুলিয়ায় অবস্থানরত ছিলেন। পাকিস্তানিরা ২ বার আমাদের ধরার জন্য বাড়িতে হানা দেয়।

এছাড়াও এরশাদ, খালেদা সরকারের রোষানলে পরে বিভিন্ন সময়ে সন্ত্রাসী হামলা, মামলায় হয়রানি এবং এক বছর ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকতে হয়েছে। দেশের জন্য ও দলের জন্য কষ্ট স্বীকার করেছি অগনিত। তৎকালিন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও পুত্র তারেক জিয়ার মদদে ২০০৪ সালে ২১শে আগস্ট গ্রেনেট হামলায় আহত হয়েছি।

সে সময় শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গ্রেনেড হামলা করে ২৪ জন নেতা কর্মীকে হত্যা করে, শতাধিক লোকজন আহত হয়েছিল। সেদিন অলৌকিক ভাবে আল্লাহর অশেষ রহমতে জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে যান। আহতদের মধ্যে আমাকে নেত্রী ভারতে উন্নত চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন।

এ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেই বেঁচে আছি। আওয়ামী লীগের আগামী ২১তম জাতীয় সম্মেলনে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে সুযোগ পেলে দলকে সুসংগঠিত করার কাজ করে যাব। নেত্রী সুযোগ দিলে সাধ্যমতো সততার সঙ্গে চেষ্টা করব দেশের জন্য আরও কাজ করার।

এ জাতীয় আরো সংবাদ