1. successrony@gmail.com : Mehedi Hasan Rony :
  2. rj.nazmul2500@gmail.com : Nazmul Hossain : Nazmul Hossain
বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ০২:০৯ পূর্বাহ্ন

সিনহা হত্যায় প্রদীপ ছাড়া সব আসামির স্বীকারোক্তি

দিনলিপি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৬৭ বার

পুলিশের গুলিতে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন পুলিশের আরও চার সদস্য। তাদের নিয়ে আলোচিত এই মামলার ১৩ আসামির মধ্যে ১২ জনই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেন। টেকনাফের বরখাস্তকৃত ওসি এবং মামলার দুই নম্বর আসামি প্রদীপ কুমার দাশ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি।

দ্বিতীয় দফায় চার দিনের রিমান্ড শেষে বুধবার বেলা ১১টার দিকে সহকারী উপ-পরিদর্শক লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন ও আবদুল্লাহ আল মামুনকে আদালতে হাজির করা হয়। বিকাল ৫টা পর্যন্ত ১৬৪ ধারায় তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

আসামিদের মধ্যে দুজন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহ’র আদালতে এবং অন্য দুজন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হেলাল উদ্দীনের আদালতে জবানবন্দি দেন। জবানবন্দি শেষে বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা র‌্যাব ১৫ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. খায়রুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেছেন, এই চার আসামি রিমান্ডে সিনহা হত্যা সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। আদালতের কাছেও নিশ্চয় তারা একইভাবে তথ্য দিয়েছেন।

র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, এই মামলায় এখন পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১২ জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তবে সবচেয়ে আলোচিত মামলার দুই নম্বর আসামি টেকনাফের বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি।

তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, সিনহা হত্যা মামলার আসামি পুলিশের এই চার সদস্যকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গত ২৪ আগস্ট দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়। আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। আদালতের আদেশ পেয়ে গত ৬ সেপ্টেম্বর পুলিশের এই চার সদস্যকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

এর আগে পরিদর্শক লিয়াকত ও এসআই নন্দ দুলাল, এপিবিএন এর ৩ সদস্য এবং পুলিশের দায়ের করা মামলার তিন সাক্ষী ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে নিহত হন সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। মারিশবুনিয়ার একটি পাহাড়ে ভিডিও চিত্র ধারণ করে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে হিমছড়ির নীলিমা রিসোর্টে ফেরার সময় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গত ৫ আগস্ট মামলা দায়ের করেন সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস। এতে নয়জনকে আসামি করা হয়। পরে র‌্যাব তদন্তে নেমে এই ঘটনার সঙ্গে ১৩ জনের সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তাদের আসামি করা হয়।

এ জাতীয় আরো সংবাদ