1. successrony@gmail.com : Mehedi Hasan Rony :
  2. arif_rashid@live.com : Arif Rashid : Arif Rashid
  3. meherunnesa3285@gmail.com : Meherun Nesa : Meherun Nesa
শুক্রবার, ২৪ মার্চ ২০২৩, ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
অস্ট্রেলিয়ায় আ’লীগ নেতা চুন্নুর শোক সভা ও শহীদ দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠান জানুয়ারিতে সড়কে ঝরেছে ৫৮৫ প্রাণ অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের আলোচনা সভা সিরাজদিখানে অযত্ন অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী, দেখার কেউ নেউ! জনস্বার্থে দেওয়া স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকের উপর হামলা! তৃণমূল সাংবাদিক মহল ক্ষুব্ধ। সিরাজদিখানে শেখ সাহেব খ্যাত রশিদ মাস্টারের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্বরণ সভা! সিরাজদিখানে লাউ গাছ কেটে কৃষকের ক্ষতি সাধনের অভিযোগ! শেখ সাহেব খ্যাত রশিদ মাস্টারের ১৭ তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে ঢাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তা জোরদার! ফাইনালের আগে মেসিকে ছেলের আবেগঘন চিঠি!

উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি দেওয়াকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের অসন্তোষ!

মোহাম্মদ রোমান হাওলাদার
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৩১ মার্চ, ২০২২
  • ৮৬ বার

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপি আহবায়ক কমিটি দেওয়ার ৫০ দিনের মাথায় বিলুপ্ত করে পুনরায় আহবায়ক কমিটি দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএরপির নেতাকর্মীরা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। গত ২ ফেব্রুয়ারী জেলা বিএনপির আহবায়ক মোঃ আব্দুল হাই ও সদস্য সচিব মোঃ কামরুজ্জামান রতন স্বাক্ষরিত আব্দুল কুদ্দুস ধীরনকে আহবায়ক ও আলী আনসার মোল্লাকে সদস্য সচিব করে সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। এর ৫০ দিনের মাথায় প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পূর্বের দেওয়া কমিটি বিলুপ্ত করে গত ৩০ মার্চ শেখ মোঃ আব্দুল্লাহকে আহবায়ক করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেন জেলা বিএনপির আহবায়ক মোঃ আব্দুল ও সদস্য সচিব মোঃ কামরুজ্জামান রতন।

দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিন মাসের মধ্যে অনুমোদিত আহবায়ক কমিটি পুর্ণাঙ্গ রূপে গঠন ও অন্যথায় বিলুপ্তির নিয়ম থাকলেও আহবায়ক কমিটির মেয়াদকাল শেষের পূর্বে ৫০ দিনের মাথায় একই উপজেলায় দুটি আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেওয়ায় উপজেলা বিএনপি ও রাজনৈতিক অঙ্গনে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। এমনকি এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের অসন্তোষ প্রকাশ করাসহ সমালোচা ও মুখোরুচক মন্তব্য করতে লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

বিএনপির সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ মার্চ জেলা বিএনপির আহবায়ক ও সদস্য সচিব কর্তৃক অনুমোদিত উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির আহবায়ক শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ গত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন চান। কিন্তু বিএনপির নীতিনির্ধারকরা শেখ মোঃ আব্দুল্লাহকে মনোনয় না দিয়ে শাহ্ মোয়াজ্জেম হোসেনকে মুন্সিগঞ্জ-১ আসনের জন্য মনোনয়নীত করেন। বিএনপি থেকে মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষনার পর শেখ আব্দুল্লাহর কয়েকশ নেতা-কর্মী ঝাড়ু মিছিলসহ শাহ্ মোয়াজ্জেম হোসেনের মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে উপজেলার ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে বিক্ষোভ সমাবেশ করে অবাঞ্চিত গোষনা করা হয়। এছাড়া শাহ মোয়াজ্জেম হোসেনকে মনোনয়ন দেওয়াকে কেন্দ্র করে ঢাকাস্থ গুলমানের চেয়ার পার্সনের কার্যালয়ে ভাঙচুর করে শেখ মোঃ আব্দুল্লাহর সমর্থিত উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের একাংশের নেতাকর্মীরা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতা জানান, ২০০৯ সালে উপজেলা বিএনপিতে শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে এর পরবর্তী সময়ে তিনি উপজেলা বিএনপির কোন কমিটিতে ছিলেন না। এমনকি তিনি মৌখিক ভাবে বিএনপির রাজনীতি করলেও উপজেলা বিএনপিতে তার কোন পদ পদবী ছিলো না। রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকলেও মাঠ পর্যায়ে তার উপস্থিতি নেই বলেও জানান তিনি। এছাড়া তার আপন ভাই শেখরনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়ীত্বরত রয়েছেন।

এদিকে ২০১৬ সালে মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনির তৎকালীন সভাপতি মোঃ আব্দুল হাই ও সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর রিপন মল্লিকের অনুমোদিত আব্দুল কুদ্দুস ধীরনকে সভাপতি করে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট উপজেলা বিএনপির কমিটির কাগজপত্র ঘেটে শেখ মোঃ আব্দুল্লাহর নাম পাওয়া যায়নি। ২০১৬ সালের পর সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির কোন পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয় নি। দীর্ঘদিন দিন পর ২০২২ সালে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হলেও ওই কমিটি ৯০ দিনের আগে তথা ৫০ দিনের মধ্যে বিলুপ্ত দেখিয়ে পুনরায় আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক আব্দুল কুদ্দুস ধীরন বলেন, সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন না পেয়ে তিনি খালেদা জিয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে তিনি ঝাড়ু মিছিল করেছেস। আমি থানা কমিটির প্রেসিডেন্ট ছিলাম সেখানে তার পদ নাই। সে জেলা আহবায়ক কমিটির সদস্য না। আমি বিশ বছর ধরে কমিটিতে ছিলাম। সম্পূর্ণ নিয়ম তান্ত্রীক ভাবে আমি আহবায়ক কমিটি এনেছি। প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, তারা কি ভাবে কমিটি করলো আমি জানি না। আমার সাথে কোন বোঝা পরা করে নাই। আর এ ব্যপারে আমি যদি কথা বলি তাহলেতো তারা বলবে আমি প্রতিক্রীয়া নিচ্ছি। এ ব্যপারে শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ সাংবাদিকদের কাছে এক স্বাক্ষাৎকারে বলেন, সিরাজদিখানে বিএনপির বহু যোগ্যতা সম্পন্ন নেতা আছেন কিন্তু ৫১ সদস্যের এই ছোট্ট কমিটিতে সবাইকে রাখা সম্ভব হয় নাই। তাই যারা নতুন কমিটিতে আসতে পারেন নাই তাদেরকেও আমি যথাযথ মূল্যায়ন করে সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব ইনশাআল্লাহ। আমি কারো মনে কষ্ট দিতে চাই না! এ ব্যপারে মুন্সিগঞ্জ জেলা কমিটির আহবায়ক মোঃ আব্দুল হাই মুঠোফোনে বলেন, কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মোতাবেক কমিটি দেওয়া হয়েছে। দল যেটা ভালো মনে করে সেটাই তারা করে। এ কমিটি অতটা গুরুত্বপূর্ণ না, সম্মেলন করে যে কমিটি হবে সেটিই গুরুত্বপূর্ণ কমিটি।

 

 

এ জাতীয় আরো সংবাদ