1. successrony@gmail.com : Mehedi Hasan Rony :
  2. arif_rashid@live.com : Arif Rashid : Arif Rashid
  3. meherunnesa3285@gmail.com : Meherun Nesa : Meherun Nesa
মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৩:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারতে সিরাজদিখান চেয়ারম্যান ফোরাম! মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে হেভিওয়েট প্রার্থী মোঃ মাসুদ লস্কর! নিভৃতচারী শেখ রেহানা সিরাজদিখানে তারাবী নামাজে ভুল ধরাকে কেন্দ্র করে ঈমাম তাড়ানোর পায়তারা! সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদে শক্ত প্রার্থী এডভোকেট কে এম হোসেন আলী হাসান প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে উন্নয়নের মহাকাব্য রচনার আহ্বান জিটুর সিরাজদিখানে শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ইছাপুরায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা! সিরাজদিখানে বিএনপির বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৫ পরিবারকে ঘর উপহার

ব্রয়লার মুরগি এতটা দ্রুত বেড়ে উঠছে কেন?

দিনলিপি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৭৪৮ বার

সাত বছর বয়সী সন্তানের মা ঢাকার নিশিতা ইসলাম। তার সন্তানের প্রিয় খাবারের একটি মুরগীর মাংস। এজন্য নিয়মিতই ব্রয়লার মুরগী রান্না বা মুরগী ফ্রাই করে সন্তানকে খেতে দেন তিনি।

এখন ব্রয়লার মুরগীকে দ্রুত বর্ধনশীল খাবার দেয়ার খবরে উদ্বিগ্ন তিনি। খবর বিবিসি বাংলার

বাচ্চার পুষ্টির জন্য মুরগি অপরিহার্য্য। কিন্তু এতেও যদি ক্ষতিকর কিছু থাকে তাহলে যাবো কোথায়?

বাংলাদেশে এ মূহুর্তে ফার্মের মুরগী হিসেবে পরিচিত ব্রয়লার মুরগিই পুষ্টি চাহিদা পূরণে বেশি ভূমিকা রাখছে।

বাংলাদেশের পোলট্রি শিল্প সমন্বয় কমিটির হিসেবে প্রায় ৭০ হাজারের মতো পোলট্রি ফার্ম রয়েছে সারাদেশে।

দেশজুড়ে ছোট বড় হ্যাচারিতে গড়ে প্রতি সপ্তাহে প্রায় দেড় কোটি ব্রয়লার বাচ্চা উৎপাদন হচ্ছে।

সরকারের প্রত্যাশা ২০২১ সাল নাগাদ সপ্তাহে একদিন বয়সী মুরগির বাচ্চা উৎপাদনের পরিমাণ হবে প্রায় আড়াই কোটি।

তবে বাংলাদেশের মৎস্য ও পশুসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু অভিযোগ করেছেন যে, বাড়তি মুনাফার আশায় খামারিরা ব্রয়লার মুরগির বাচ্চা বড় করতে অস্বাভাবিক ওজন বৃদ্ধির খাবার দিচ্ছেন।

এটি না করে ভারসাম্যপূর্ণ খাবার দিয়ে মুরগি বড় করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, কিছু অসাধু ব্যক্তি ইউরোপ থেকে মুরগীর খাবার কিনে মধ্যপ্রাচ্যে রি-প্যাকেট করতো। সেখানে এমন কিছু মেশাতো যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

তিনি বলেন, এনবিএম নামক একটি উপাদান আমরা রাজস্ব বোর্ডের সাথে আলাপ করে বাংলাদেশে আনা বন্ধ করেছি। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারিতে পরীক্ষা হচ্ছে। এটা ক্ষতিকর উপাদান যা ব্রয়লারের ওজন দ্রুত বাড়াতে পোলট্রি ফিডে অসাধু ব্যক্তিরা ব্যবহার করতো। আমরা এগুলো বন্ধ করতে পেরেছি। তবে একই সাথে পুষ্টির জন্য বিকল্প স্বাস্থ্যকর উপাদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

খামারিরা কী বলছেন
তবে প্রতিমন্ত্রীর অভিযোগ মানতে রাজী নন খামার মালিক ও পোলট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মো. মহসিন।

তিনি বলছেন খাবারে অতিরিক্ত কিছু খামার পর্যায়ে মেশানো হয় না।

তিনি বলেন, পোলট্রি ফিড আমরা তৈরি করিনা। আমরা কিনে এনে শুধু কোনটা কতটুকু দিবো সে অনুযায়ী দিয়ে খাবার তৈরি করি। এখানে আর কিছু মেশানোর বা দেয়ার সুযোগ নেই। খাবার ও মুরগির বাচ্চা দুটিই কিনে এনে আমরা শুধু লালন পালন করি।

তিনি বলেন বিশ্বের কোথাও ব্রয়লার মুরগি ১০৫ দিন ধরে বড় করেনা। সর্বোচ্চ ৪২ দিন সময় দেয়া হয়। কিন্তু ওতো দিন রাখলে মুরগীর ওজন ৩/৪ কেজি হয়। তবে এতো ওজনের মুরগীর ক্রেতা বাংলাদেশে কম। সে কারণেই আমরা ৩০/৩২ দিন লালন পালন করে বাজারের চাহিদা অনুযায়ী এক বা দেড় কেজি ওজন হলে বিক্রি করে দেই।

তিনি বলেন গ্রিলের জন্য ছোটো ব্রয়লারের চাহিদা বেশি থাকে সেজন্য উৎপাদকরা ২৮/৩০ দিনে বিক্রি করে দেন। একই ধরণের কথা বলছেন পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি জেনারেল ড. এম এম খান। তিনি বলছেন বলছেন দেশী মুরগিকে যত খাবারই দেয়া হোক না কেনো একটা পর্যায়ের পর তার আর ওজন বাড়বেনা।

কিন্তু ব্রয়লার জেনেটিক পটেনশিয়াল। তাকে সঠিক পুষ্টি দিতে হয়। তার খাবারে সঠিক পুষ্টি নিশ্চিত করতে হয়। আর এখন প্রতিযোগিতামূলক মার্কেট। অ্যান্টিবায়োটিক বা অন্য কিছু মিশিয়ে কেউ খামার বা পোলটি ফিড ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে পারবেনা। প্রতিনিয়ত ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা নিরীক্ষা হচ্ছে। তাই এ সুযোগই নেই যে গণহারে সবাই মুরগির ওজন বাড়িয়ে ফেলবে।

পোলট্রি ফিড আমদানিকারকের বক্তব্য
তবে মূল অভিযোগ উঠছে পোলট্রি ফিড আমদানীকারক ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে। যদিও তারা এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলছেন পরীক্ষা নিরীক্ষা না করে পোলট্রি ফিড আনা হয়না।

পোলট্রি খাবার আমদানীকারক ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান ডক্টরস ফিড লি:-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা: এস এম বায়েজিদ হোসেন বলছেন তারা পোলটি ফিড আমদানি করে অবিকৃত অবস্থায় ডিলারের মাধ্যমে বাজার জাত করেন।

ফিড আমদানীকারকরা বড় ভলিউমে আমদানি করেন এবং মেশিনের মাধ্যমে প্যাকেটজাত করে ডিলারের মাধ্যমে বিক্রি করেন। তাই এসব পর্যায়ে অতিরিক্ত কিছু খাবারে মেশানো অসম্ভব। তবে একেবারে খুচরো পর্যায়ে কেউ অসাধুতা করলে সেটি হতে পারে।

এ জাতীয় আরো সংবাদ