1. successrony@gmail.com : Mehedi Hasan Rony :
  2. arif_rashid@live.com : Arif Rashid : Arif Rashid
  3. meherunnesa3285@gmail.com : Meherun Nesa : Meherun Nesa
বুধবার, ১৮ মে ২০২২, ০২:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সিরাজদিখানে দোকান বাকী না দেওয়ায় শারীরিক প্রতিবন্ধিকে মারধর ।। সংবাদ সংগ্রহ করায় সাংবাদিকের উপর চড়াও! শাহজাদপুরে চিরদিনের জন্য রেখে এলাম আমাদের কলিজার টুকরা ফাহাদ আব্বুকে ‘পুতিন কবে আমাদের রেলভ্রমণ করে গেলেন কেউ জানলাম না’ ভূট্টা চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকদের!  কচুর লতি বিক্রি করতে বাজারে বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক! পি কে হালদারকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করবে ভারত এবার আসছে পানযোগ্য স্যানিটাইজার বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তি: নুরের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে অভিযোগ নুসরাতের রইল না কেউ, সকালে মারা গেলেন মা-বোন বিকেলে বাবা ঘর উপহার পেয়ে আনন্দের বন্যা ভূমি ও গৃহহীন পরিবারের সদস্যদের

‘আমার ভেতরের যন্ত্রণাগুলো বড় হয়ে গেছে’

দিনলিপি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৩২০ বার

রাজধানীর মিরপুর পুলিশলাইনে বৃহস্পতিবার ভোরে আবদুল কুদ্দুস নামে এক পুলিশের নায়েক নিজের রাইফেল দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

আত্মহত্যার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস দেন তিনি।

নিজের মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী না করলেও স্ত্রী ও শাশুড়িকে উদ্দেশ্য করে ভিন্নকথা লিখেছেন ওই স্ট্যাটাসে।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে কুদ্দুস লেখেন– ‘আমার মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী করব না। আমার ভেতরের যন্ত্রণাগুলো বড় হয়ে গেছে, আমি আর সহ্য করতে পারছি না। প্রাণটা পালাই পালাই করছে…।

তবে অবিবাহিতদের প্রতি আমার আকুল আবেদন– আপনারা পাত্রী পছন্দ করার আগে পাত্রীর মা ভালো কিনা তা আগে খবর নেবেন। কারণ পাত্রীর মা ভালো না হলে পাত্রী কখনই ভালো হবে না। ফলে আপনার সংসারটা হবে দোজখের মতো।

সুতরাং সকল সম্মানিত অভিভাবকদের প্রতি আমার শেষ অনুরোধ, বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেবেন। আল্লাহ হাফেজ। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, উত্তর বিভাগ (এসটিএফ), মিরপুর-১৪, ঢাকা।’

আত্মঘাতী শাহ মো. আবদুল কুদ্দুস মিরপুর-১৪ নম্বর পুলিশলাইনে নায়েক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

তার গ্রামের বাড়ি সিলেটের হবিগঞ্জের রসুলপুরে। বাবার নাম শাহ মো. আবদুল ওয়াহাব (মৃত)।

পুলিশ জানায়, আবদুল কুদ্দুস আজ ভোরে ডিউটিতে যাওয়ার সময় তার নিজের অস্ত্র দিয়ে আত্মহত্যা করেন। ভোর সোয়া ৫টার দিকে তিনি অস্ত্রাগার থেকে অস্ত্র নিয়ে ডিউটির জন্য বের হন। পরে পুলিশ লাইনের মাঠের এক পাশে দাঁড়িয়ে আত্মহত্যা করেন।

মৃত্যুর আগে ওই পুলিশ সদস্য ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন। ওই স্ট্যাটাসে নিজের মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী না করলেও স্ত্রী ও শাশুড়ির নামে ভিন্নকথা লিখেছেন। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

এ জাতীয় আরো সংবাদ