1. successrony@gmail.com : Mehedi Hasan Rony :
  2. arif_rashid@live.com : Arif Rashid : Arif Rashid
  3. meherunnesa3285@gmail.com : Meherun Nesa : Meherun Nesa
শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ০১:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
চার দিনের সফরে চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী বাকেরগঞ্জে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি দিলেন আ’লীগ নেত্রী রাফির উপহার পেয়ে আবেগাপ্লুত তমা ক্ষুধা মেটেনি রিয়াল সভাপতির, নজর ১৬তম শিরোপায় আমরা দ্বিতীয় স্যাটেলাইটের প্রস্তুতি নিচ্ছি : প্রধানমন্ত্রী পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ত্রাণ বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী মাহিকে দুটি গাড়ি ও ফ্ল্যাট দিয়েছিলেন আজিজ এমপি আনারের বিষয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৬ মাসে ১ দিন কিংবা সাপ্তাহে ১ দিন নয়,২৪ ঘন্টা আমি আপনাদের সেবায় নিয়োজিত থাকতে চাই-মঈনুল হাসান নাহিদ! সিরাজদিখানে ভাইস-চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রফিকুল ইসলাম বাবুল এর ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়

ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমীনের ৩ বছরের কারাদণ্ড

দিনলিপি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৪১৪ বার

সম্পদের হিসাব বিবরণী জমা না দেওয়ায় ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মাদ রফিকুল আমীনের ৩ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার ঢাকার ৮ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শামীম আহাম্মাদ এ রায় ঘোষণা করেন।

সম্পদের হিসাব বিবরণী জমা না দেওয়ার অভিযোগে ২০১৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর রাজধানীর রমনা মডেল থানায় এ মামলা দায়ের করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

তার আগে, প্রায় চার হাজার কোটি টাকা আত্মসাত ও পাচারের অভিযোগে ২০১২ সালের ৩১ জুলাই রফিকুল আমীন এবং ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেনসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে রাজধানীর কলাবাগান থানায় দুটি মামলা করে দুদক।

ওই বছর ৬ আগস্ট মামলাগুলোয় রফিকুল আমীনসহ ৫ আসামি ঢাকা সিএমএম আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত জামিন মঞ্জুর করেন। পরবর্তীতে মহানগর দায়রা জজ জামিন বাতিল করলে ওই বছর ১১ অক্টোবর তারা ওই আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান। পরে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তখন থেকেই রফিকুল আমীন কারাগারে রয়েছেন।

কারাগারে থাকাবস্থায় দুদক অনুসন্ধানে রফিকুল আমীনের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত ১৮ কোটি ২ লাখ ২৯ হাজার ৩২৩ টাকার সম্পদের তথ্য পায়। তাই ২০১৬ সালের ১৬ জুন তাকে সাত দিনের মধ্যে কারাগার থেকে সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিলের নোটিশ দেয় দুদক। কারাবন্দী রফিকুল আমীন সময়ের আবেদন করলে তাকে আরও সাত দিন সময় দেওয়া হয়। এরপরও সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল না করায় ২০১৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর রমনা থানায় দুদক এই মামলা করেন।

মামলার পর ২০১৭ সালের ৬ জুন রফিকুল আমিনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে দুদক। পর বছর ১২ মার্চ আদালত এ আসামির অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন। পরবর্তীতে অব্যাহতির নাকচ আদেশের বিরুদ্ধে রফিকুল আমীন উচ্চ আদালতে গেলেও তা ২০১৮ সালে ১৮ আগস্ট খারিজ হয়। এরপর মামলাটিতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। মামলায় দুদকের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রসিকিউটর মাহমুদ হাসান জাহাঙ্গীর জানান, বিচারকালে দুদকের পক্ষে ৫ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

তবে আসামি রফিকুল আমীনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এহসানুল হক সমাজী বলেন, রফিকুল আমীন কারাগারে থাকাবস্থায় সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিলের জন্য দুদক নোটিশ দেয়। তাই তিনি হিসাব বিবরণী দিতে পারেন নাই।

এদিকে ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেডের চার হাজার কোটি টাকার বেশি পাঁচারের মানি লন্ডারিংয়ের দুইটি মামলা এখন ঢাকার চার নম্বর বিশেষ জজ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

এ জাতীয় আরো সংবাদ