1. successrony@gmail.com : Mehedi Hasan Rony :
  2. arif_rashid@live.com : Arif Rashid : Arif Rashid
  3. meherunnesa3285@gmail.com : Meherun Nesa : Meherun Nesa
রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সিরাজদিখানে চাপাতির ভয় দেখিয়ে মোবাইল ছিনতাই, ছাত্রলীগ সভাপতির ভাইসহ গ্রেফতার-৪ সিরাজদিখানে শহীদ মিনারে ফুল দেয়াকে কেন্দ্র করে যুবলীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে মারামারি,ছবি তোলায় দুই সাংবাদিকে পিটিয়ে আহত! সিরাজদিখান প্রেসক্লাবের দুই বছর মেয়াদে নির্বাচন সম্পন্ন সভাপতি মোক্তার সম্পাদক মাসুদ! অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বহু নাটকীয়তার পর বিরোধী দল হওয়ার সিদ্ধান্ত পিটিআইয়ের শান্তর বেতন ৯ লাখ, দেখে নিন কার কত নির্বাচনের পরেই সংসার ভাঙল মাহির কেউ যেন দেশকে পেছনে ঠেলে দিতে না পারে, সতর্ক থাকুন: প্রধানমন্ত্রী বাসচাপায় প্রাণ গেল মা‌-ছেলের নয় দিনে এ‌ল ৭ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স

নির্বাচনে হেরে আমেরিকায় চলে যাচ্ছেন সেই ডেইজী

দিনলিপি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ৩০৭ বার

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের আলোচিত কাউন্সিলর প্রার্থী আলেয়া সারোয়ার ডেইজী (লাটিম প্রতীক) হেরে গেছেন।
এই ওয়ার্ডে ৬ হাজার ৩১ ভোট পেয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন জাতীয় পার্টি (জাপা) সমর্থিত প্রার্থী শফিকুল ইসলাম সেন্টু। আর ডেইজী পেয়েছেন ২ হাজার ৯১ ভোট।

পরাজয়ের পর ডেইজী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, এখন থেকে পরিবারকে সময় দেবেন। আগামী এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইর্য়কে পরিবারের কাছে চলে যেতে পারেন।

গতকাল রোববার একটি জাতীয় দৈনিককে এ কথা জানিয়েছেন ডেইজী।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে হেরে গেলেও আমি জনগণের ভালোবাসা অর্জন করতে পেরেছি। আমি ভালোবেসেছি আমার নেত্রী শেখ হাসিনাকে, ভালোবেসেছি জনগণকে। বিজয়ী হয়ে জনগণের জন্যই কাজ করতে চেয়েছিলাম।’

আলেয়া সারোয়ার ডেইজী যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি। এর আগে তিনি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন।

এই ওয়ার্ডে গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগসমর্থিত প্রার্থী ইমতিয়াজ খানকে হারিয়ে জয়লাভ করেন সফিকুল ইসলাম সেন্টু।

ডেইজী আরও বলেন, ‘পরাজিত হয়ে আমি দুঃখ পাইনি। আমার দুঃখ– আমি আওয়ামী লীগকে এই আসনটি দিতে পারিনি। আমি জনগণের ভালোবাসা অর্জন করতে পেরেছি। আমি আমার নেত্রী শেখ হাসিনার হয়ে জনগণের জন্য কাজ করেছি, আগামীতেও করতে চেয়েছিলাম। আমার সেই ইচ্ছা ছিল, শক্তি ছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভোটের দিনে আমার প্রতিদ্বন্দ্বীর পক্ষ থেকে আমার ওপরে যে আচরণ করা হয়েছে, সেটি মোটেও শোভনীয় ছিল না। জয়ের জন্য আমার চেষ্টা ছিল। কিন্তু এই নোংরা মানুষগুলোর কাছে আমি হেরে গেছি।’

প্রসঙ্গত ২০১৮ সালের মার্চে ঢাকার দুই সিটিতে মশা মারতে ‘কামান ব্যবহার’ করে আলোচিত-সমালোচিত হন ডেইজী।

ওই সময় তার মশা নিধনের একটি ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়। অনেকেই তার এমন অ্যাকশনের সমালোচনা করেন।

ডিএনসিসির ফেসবুক পেজে পোস্ট করা ওই ভিডিও এবং ছবি পোস্ট করে লেখা হয়– প্যানেল মেয়র সদস্য আলেয়া সারোয়ার ডেইজীর নেতৃত্বে এয়ারপোর্ট এলাকায় মশা নিধনের ওষুধ ছিটানো হচ্ছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, একটি গাড়ির ওপরে দাঁড়িয়ে আছেন ডেইজী। দুপাশে দাঁড়িয়ে মশা মারার ফগার মেশিন দিয়ে স্প্রে করছেন দুই কর্মী।

এ জাতীয় আরো সংবাদ