1. successrony@gmail.com : Mehedi Hasan Rony :
  2. arif_rashid@live.com : Arif Rashid : Arif Rashid
  3. meherunnesa3285@gmail.com : Meherun Nesa : Meherun Nesa
শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও আমার কিছু কথা।। মোহাম্মদ রোমান হাওলাদার সিরাজদিখানে চাপাতির ভয় দেখিয়ে মোবাইল ছিনতাই, ছাত্রলীগ সভাপতির ভাইসহ গ্রেফতার-৪ সিরাজদিখানে শহীদ মিনারে ফুল দেয়াকে কেন্দ্র করে যুবলীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে মারামারি,ছবি তোলায় দুই সাংবাদিকে পিটিয়ে আহত! সিরাজদিখান প্রেসক্লাবের দুই বছর মেয়াদে নির্বাচন সম্পন্ন সভাপতি মোক্তার সম্পাদক মাসুদ! অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বহু নাটকীয়তার পর বিরোধী দল হওয়ার সিদ্ধান্ত পিটিআইয়ের শান্তর বেতন ৯ লাখ, দেখে নিন কার কত নির্বাচনের পরেই সংসার ভাঙল মাহির কেউ যেন দেশকে পেছনে ঠেলে দিতে না পারে, সতর্ক থাকুন: প্রধানমন্ত্রী বাসচাপায় প্রাণ গেল মা‌-ছেলের

লকডাউন শিথিল করছে অস্ট্রেলিয়া

দিনলিপি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২০
  • ৭৮৬ বার

লকডাউন শিথিল করছে অস্ট্রেলিয়া। বেশ কিছু অঙ্গরাজ্যে কড়াকড়ি তুলে নেওয়া হচ্ছে। এমনকি ইতোমধ্যেই দেশটির বিভিন্ন জনপ্রিয় বীচ আবারও খুলে দেওয়া হয়েছে।

দেশজুড়ে ব্যাপকহারে করোনার পরীক্ষা করা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে আস্তে আস্তে করোনার প্রকোপ আরও কমতে শুরু করবে। ইতোমধ্যেই সিডনির বন্ডি বীচ এবং কাছাকাছি আরও দু’টি বীচ খুলে দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার থেকেই সেখানে আগের মতো যেতে পারবেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রায় এক মাস ধরে এই বীচগুলো বন্ধ রেখেছিল স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। লোকজন সামাজিক দূরত্ব না মেনে বীচে একত্রিত হচ্ছিল বলেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।

নিউ সাউথ ওয়েলস অঙ্গরাজ্য থেকে কড়াকড়ি তুলে নেওয়া হচ্ছে। প্রতিবেশীদের বাড়িতে যাওয়া আসার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। দু’জন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তি চাইলে তাদের প্রতিবেশীদের বাড়িতে যেতে পারবে।

আগামী শুক্রবার থেকেই এই নিয়ম কার্যকর হবে। একই সঙ্গে বাড়িতে থাকা এবং অপ্রয়োজনীয় চলাফেরার ওপর যে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছিল তাও শিথিল করা হয়েছে।

নিউ সাউথ ওয়েলস কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অনেক লোকজনই ইতোমধ্যেই বাড়িতে থাকতে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। তারা শুধুমাত্র শরীরচর্চা, ওষুধ বা দরকারি জিনিসপত্র কিনতে বাইরে বের হচ্ছে। অনেকেই বাড়িতেই সেলফ আইসোলেশনে আছে।

লোকজনকে আশেপাশের বাড়িতে যাওয়া আসার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে দু’জনের বেশি লোকজন আশেপাশের বাড়িতে যেতে পারবে না। এছাড়া বড়রা তাদের সঙ্গে ছোট বাচ্চাদের নিয়ে্ও বের হতে পারবে।

তবে যারা শারীরিকভাবে দুর্বল বা অসুস্থ তাদের বাড়িতেই থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। করোনার প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকেই সব ধরনের সীমান্ত বন্ধ করে রেখেছে অস্ট্রেলিয়া।

একই সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ রাখা হয়েছিল এবং সামাজিক দূরত্ব কঠোরভাবে মেনে চলা হচ্ছিল। কিন্তু স্থানীয় লোকজনের মধ্যে সংক্রমণের হার কমতে শুরু করায় কড়াকড়ি কিছুটা শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য।

সূত্র : জাগো নিউজ

এ জাতীয় আরো সংবাদ