1. successrony@gmail.com : Mehedi Hasan Rony :
  2. arif_rashid@live.com : Arif Rashid : Arif Rashid
  3. meherunnesa3285@gmail.com : Meherun Nesa : Meherun Nesa
শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ১১:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও আমার কিছু কথা।। মোহাম্মদ রোমান হাওলাদার সিরাজদিখানে চাপাতির ভয় দেখিয়ে মোবাইল ছিনতাই, ছাত্রলীগ সভাপতির ভাইসহ গ্রেফতার-৪ সিরাজদিখানে শহীদ মিনারে ফুল দেয়াকে কেন্দ্র করে যুবলীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে মারামারি,ছবি তোলায় দুই সাংবাদিকে পিটিয়ে আহত! সিরাজদিখান প্রেসক্লাবের দুই বছর মেয়াদে নির্বাচন সম্পন্ন সভাপতি মোক্তার সম্পাদক মাসুদ! অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বহু নাটকীয়তার পর বিরোধী দল হওয়ার সিদ্ধান্ত পিটিআইয়ের শান্তর বেতন ৯ লাখ, দেখে নিন কার কত নির্বাচনের পরেই সংসার ভাঙল মাহির কেউ যেন দেশকে পেছনে ঠেলে দিতে না পারে, সতর্ক থাকুন: প্রধানমন্ত্রী বাসচাপায় প্রাণ গেল মা‌-ছেলের

টিভিকর্মীদের আইনি সুরক্ষা দেবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

দিনলিপি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৫৬০ বার

টেলিভিশন মাধ্যমে যারা কাজ করেন তাদের চাকরির অনিশ্চয়তা, বিনা কারণে চাকরিচ্যুতি বা ছাঁটাই বন্ধে আইনি সুরক্ষা দেওয়ার কথা ভাবছে সরকার।

বৃহস্পতিবার বিশ্ব টেলিভিশন দিবস উপলক্ষে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি) ও আরটিভির আয়োজনে তেজগাঁও’র বেঙ্গল স্টুডিওতে ‘কেমন আছে দেশের টেলিভিশন?’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে এমনটা জানান তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘টেলিভিশনে যারা কাজ করেন তাদের চাকরির সুরক্ষা তেমন একটা নাই। তাদের আইনি সুরক্ষা দেওয়াটা জরুরি। সম্প্রচার নীতিমালার আলোকে তাদের আইনি সুরক্ষা দেওয়ার ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।’

তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, ‘দেশে এখন সাড়ে তিন কোটিরও বেশি ফেসবুক ব্যবহারকারী রয়েছে, ইউটিউব ব্যবহার করছে অনেকে। যার ফলে অল্প টাকায় অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দিচ্ছে। এতে সরকার কোনো রেভিনিউ পাচ্ছে না। টেলিভিশন মিডিয়াও বিজ্ঞাপনের বাজারে সংকুচিত হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দেওয়ার ব্যাপারটি নিয়মনীতির আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। ’

মামুনুর রহমান খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও ফটোগ্রাফি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আ জ ম শফিউল আলম ভূঁইয়া।

তিনি বলেন, ‘টেলিভিশনকে এখন বিভিন্ন ডিজিটাল কনটেন্ট প্রোভাইডারদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে। সস্তা বিনোদননির্ভর কনটেন্ট তৈরির কারণে দর্শকের আস্থা হারাচ্ছে টেলিভিশন। পাশাপাশি সংবাদ চ্যানেলগুলো দক্ষ জনবল বা প্রতিষ্ঠানের পলিসিগত জায়গা থেকে ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্ট তেমন একটা প্রকাশ করতে পারছে না।’

এতে আরো বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, একাত্তর টিভি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও অ্যাটকোর সিনিয়র সহসভাপতি মোজাম্মেল বাবু, আরটিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান, ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার, বিজেসির চেয়ারম্যান রেজওয়ানুল হক রাজা, বিজেসির সদস্য সচিব শাকিল আহমেদ, ইস্টওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নঈম নিজাম, জিটিভির প্রধান সম্পাদক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, মুক্ত বাজার অর্থনীতিতে প্রচলিত আইনের তোয়াক্কা না করে নেতিবাচক কনটেন্ট, বিজ্ঞাপনের বাজার সংকুচিত হয়ে আসা, দক্ষ জনবলের অভাব, সোশ্যাল মিডিয়ার আগ্রাসন, কর্মক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা, চাকরিচ্যুতি, স্বেচ্ছাচারিতাসহ নানা সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে দেশের টেলিভিশন মাধ্যম।

তারা বলেন, অনেক চ্যানেলে কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘটনা ঘটছে, আবার নিয়মিত বেতন হচ্ছে না অনেক চ্যানেলে। ষাটের দশকে একটি টিভি চ্যানেলের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করে বর্তমানের দেশে সরকারি ও বেসরকারি ৩৪টি টিভি চ্যানেল অনুষ্ঠান সম্প্রচার করছে এবং সম্প্রচারের অপেক্ষায় রয়েছে আরো কিছু টিভি চ্যানেল। এসব চ্যানেলে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে।

এ জাতীয় আরো সংবাদ