1. successrony@gmail.com : Mehedi Hasan Rony :
  2. arif_rashid@live.com : Arif Rashid : Arif Rashid
  3. meherunnesa3285@gmail.com : Meherun Nesa : Meherun Nesa
  4. rj.nazmul2500@gmail.com : Meherun Nesa : Meherun Nesa
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৬:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সিরাজদিখানে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থীদের জীবন বৃত্তান্ত সংগ্রহ শুরু প্রাচ্য-পাশ্চাত্যে ব্যবসায়িক সেতুবন্ধন গড়ে তুলবে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী সিরাজদিখানে পেরিলা প্রদর্শনীর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে বিকল্পধারা হতে কোন প্রার্থী দিব না: সাংসদ মাহি বি চৌধুরী সিরাজদিখানে ১০ লাখ টাকা ধার দিয়ে বেকায়দায় একটি পরিবার! সিরাজদিখানে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত ইউপি নির্বাচনে কেয়াইন ২নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য হতে চান রুবেল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বালুচর ১নং ওয়ার্ড সদস্য হতে চান ওয়াসিম আহমেদ ওমানকে হারিয়ে বিশ্বকাপে টিকে রইলো বাংলাদেশ সিরাজদিখানে ঈদ-এ মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করতে প্রদীপের ৩৫ জনের প্রাইভেট বাহিনী

দিনলিপি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২০
  • ২৭৩ বার

সেনাবাহিনীর সাবেক অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যাকাণ্ডের অন্যতম আসামি টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপের একের পর এক অপকর্ম উঠে আসছে। আইনের পোশাক পরেও অবৈধভাবে এলাকায় পুলিশের বাইরে তিনি গড়ে তুলেছিলেন নিজস্ব ৩৫ সদস্যের প্রাইভেট বাহিনী। যাদের কাজ ছিল ওসির নির্দেশে টেকনাফ এলাকায় বিভিন্ন সেক্টর থেকে চাঁদাবাজি, ইয়াবা কারবার পরিচালনা এবং জলদস্যুতা করে টাকা আয়। আরেকটি গ্রুপ ক্রসফায়ার বাণিজ্যে জড়িয়ে গিয়েছিল। তারা কক্সবাজার এলাকায় ইয়াবা ডনদের কাছ থেকে মাসোহারা আদায় করতো। এই প্রাইভেট বাহিনীর কাছে গোটা এলাকা জিম্মি হয়ে পড়ে। এই বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে যারা কোনোরকম বিরোধে জড়িয়েছেন তাদের অনেকেই প্রদীপের টর্চার সেলে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। অনেকেই প্রাণভয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছেন।

এ পর্যন্ত প্রাইভেট বাহিনীর ১০ জনের নাম পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। প্রদীপ গ্রেপ্তার হওয়ার পর তারা গা ঢাকা দিয়েছে। তাদের ধরতে বিভিন্নস্থানে চালানো হচ্ছে সাঁড়াশি অভিযান। সিনহার যে ভিডিও, মোবাইল ফোন ও টাকা খোয়া গেছে সেগুলো উদ্ধার করার জন্য তৎপর আছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরিবারের দাবি, সিনহা হত্যাকাণ্ডের পর সেগুলো আর পাওয়া যায়নি। র‌্যাব জানিয়েছে, সিনহা হত্যাকাণ্ডের তদন্ত নিখুঁতভাবে করা হচ্ছে। দোষীরা যাতে কোনোভাবে ছাড়া না পায় সেদিকে খেয়াল রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি তদন্তে ব্যবহার করা হচ্ছে উচ্চ প্রযুক্তি। আজ সোমবার থেকে র‌্যাব মামলার মূল ৩ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করবে। এর আগে র‌্যাবের তদন্তকারী একটি দল সরজমিন সিনহা হত্যাকাণ্ডের মূল জায়গা কক্সবাজারের টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর পুলিশ চেকপোস্ট পরিদর্শনে যান। এদিকে, হত্যাকাণ্ডের পর চলচ্চিত্রের একজন খলনায়কের নাম আলোচনায় আসায় তাও খতিয়ে দেখছেন র‌্যাবের তদন্তকারীরা। হত্যাকাণ্ডের পর আসামি লিয়াকত ও প্রদীপের সঙ্গে এসপি মাসুদের যে কথোপকথন হয়েছে তা আমলে নিয়েছেন তদন্তকারীরা।

এ ছাড়াও র‌্যাব সিনহার সঙ্গে থাকা তার সফরসঙ্গী সিফাতকে আইনগত সহযোগিতার উদ্যোগ নিয়েছে। গত ৩১শে জুলাই রাতে কক্সবাজারের টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সিনহা। তিনি তল্লাশিতে বাধা দিয়েছিলেন বলে পুলিশ দাবি করে। পরে এক সংবাদ সম্মেলনে কক্সবাজার জেলার এসপি বলেন, সিনহা বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছেন। তার কাছ থেকে ইয়াবা ও পিস্তল পাওয়া গেছে।

এ জাতীয় আরো সংবাদ