1. successrony@gmail.com : Mehedi Hasan Rony :
  2. arif_rashid@live.com : Arif Rashid : Arif Rashid
  3. meherunnesa3285@gmail.com : Meherun Nesa : Meherun Nesa
সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
নতুন লুকে ভাইজান বিএনপির দুটি গুণ, ভোট চুরি ও মানুষ খুন : প্রধানমন্ত্রী কোলা ইউনিয়ন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক হলেন সিরাজদিখানের তুষার সিরাজদিখানে জমির আগাছা পরিস্কারে ব্যস্ত কৃষক! সিরাজদিখানের বালুচরে বেদখল হওয়া সরকারী রাস্তা উদ্ধার! ফুটবল বিশ্বকাপ মঞ্চে লাল সবুজের পতাকা হাতে বাঙালী যুবক! সিরাজদিখানে গভীর রাতে গৃহবধূ প্রেমিকার ঘরে পরকীয়া প্রেমিক পাকরাও, থানায় হস্তান্তর! সিরাজদিখানে বঙ্গবন্ধু ফুটবল টুর্নামেন্টের ২য় সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত অতিরিক্ত টাকা না দিলে ফাইল ছুড়ে ফেলে দেন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ!

দেশ ছাড়লেন বিজ্ঞানী বিজন কুমার

দিনলিপি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৩৩৫ বার

বাংলাদেশ ছাড়লেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের এন্টিবডি এবং এন্টিজেন কিট আবিষ্কারক দলের প্রধান, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অণুজীববিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোরে তিনি সিঙ্গাপুরে পাড়ি জমান।

এরআগে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রেস উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ভিসা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে ড. বিজন কুমার শীল সিঙ্গাপুর ফিরে যাচ্ছেন। তবে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিভিন্ন গবেষণায় তাকে প্রয়োজন। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পক্ষ থেকে তার ভিসা প্রাপ্তিতে যে সমস্ত কাগজপত্র প্রয়োজন সব বিষয়ে সহযোগিতা করা হবে। আশা করছি শিগগিরই তিনি আবার দেশে ফিরে আসবেন। কারণ তিনিও সব সময় দেশে এসে কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করেন।

জানা যায়, গত জুলাইয়ে ড. বিজনের ওয়ার্ক ভিসার মেয়াদ শেষ হয়। এরপর ওয়ার্ক ভিসার জন্য আবেদন করলেও সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো উত্তর দেওয়া হয়নি। ফলে কাজ করতে না পেরে এক ধরনের বাধ্য হয়ে দেশ ছাড়েন তিনি। ওয়ার্ক ভিসার অনুমতি পেলে তিনি আবার বাংলাদেশে কাজে ফিরতে পারবেন।

ড. বিজন কুমার শীল ১৯৯৯ সালে ছাগলের মড়ক ঠেকানোর জন্য পিপিআর ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেন। ২০০২ সালে ডেঙ্গুর কুইক টেস্ট পদ্ধতির আবিষ্কারকও তিনি। যা সিঙ্গাপুরে তার নামেই প্যাটেন্ট করানো। ২০০৩ সালে তিনি সার্স ভাইরাসের কুইক টেস্ট পদ্ধতির আবিষ্কার করেছিলেন। এটাও তার নামে প্যাটেন্ট করা। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সার্স ভাইরাস প্রতিরোধে সিঙ্গাপুর সরকারের একজন বিজ্ঞানী হিসেবে অন্যতম ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি।

এ জাতীয় আরো সংবাদ