1. successrony@gmail.com : Mehedi Hasan Rony :
  2. arif_rashid@live.com : Arif Rashid : Arif Rashid
  3. meherunnesa3285@gmail.com : Meherun Nesa : Meherun Nesa
  4. rj.nazmul2500@gmail.com : Meherun Nesa : Meherun Nesa
মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৯:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
প্রাচ্য-পাশ্চাত্যে ব্যবসায়িক সেতুবন্ধন গড়ে তুলবে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী সিরাজদিখানে পেরিলা প্রদর্শনীর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে বিকল্পধারা হতে কোন প্রার্থী দিব না: সাংসদ মাহি বি চৌধুরী সিরাজদিখানে ১০ লাখ টাকা ধার দিয়ে বেকায়দায় একটি পরিবার! সিরাজদিখানে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত ইউপি নির্বাচনে কেয়াইন ২নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য হতে চান রুবেল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বালুচর ১নং ওয়ার্ড সদস্য হতে চান ওয়াসিম আহমেদ ওমানকে হারিয়ে বিশ্বকাপে টিকে রইলো বাংলাদেশ সিরাজদিখানে ঈদ-এ মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ মালখানগরে নৌকার মাঝি হওয়ার লক্ষে মাঠে রয়েছেন দুইজন!

ধরিত্রী বাঁচাতে শক্তিশালী বৈশ্বিক জলবায়ু জোট চাই : প্রধানমন্ত্রী

দিনলিপি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১৪৮ বার

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস করে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও ধরিত্রীকে বাঁচাতে শক্তিশালী বৈশ্বিক জলবায়ু জোটের জরুরি প্রয়োজন। তিনি বলেন, শতাব্দীর মধ্য ভাগের আগে বিশ্বব্যাপী কার্বন নিঃসরণ কার্যকরভাবে হ্রাস করে কার্বন ভারসাম্যতা আনায়নের দিকে এগিয়ে যেতে ইতিবাচক ও শক্তিশালী আন্তর্জাতিক জলবায়ু জোটের গুরুত্বের ওপর জোর দিতে চাই।

প্যারিস চুক্তির পঞ্চম বার্ষিকী উপলক্ষে ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বিশ্ব গড়ার গতি তরান্বিত করার লক্ষ্যে ‘থিম্পু এ্যমবিশন সামিট’ এক ভার্চুয়াল শীর্ষ সম্মেলনে প্রচারিত প্রধানমন্ত্রীর প্রাক-রেকর্ডকৃত এক ভাষণে এ কথা বলেন তিনি।

অন্যদের মধ্যে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ড. লোটে শেরিং, জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং কপ২৬ চেয়ার অলোক শর্মা এবং ইউএনএফসিসিসি’র নির্বাহী সম্পাদক প্যাট্রিশিয়া এসপিনোসা ইউএনএফসিসিসিতে এলডিসি গ্রুপের চেয়ার ভুটানের রাজকীয় সরকার আয়োজিত এ ভার্চুয়াল শীর্ষ সম্মেলনে ভাষণ দেন।

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে কয়েক মিলিয়ন মানুষকে জলবায়ু উদ্বাস্তু করে তুলেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাঁচাতে আপনাদের জরুরি ও সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপের আহ্বান জানাচ্ছি। ইউএনএফসিসিসি আমাদের বৈশ্বিক এজেন্ডাকে এগিয়ে নিতে সবচেয়ে উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম হিসাবে রয়েছে।’

এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘কোভিড-১৯ মহামারি আমাদের দেখিয়েছে যে একটি মহামারি কত দ্রুত একটি বিপর্যয়কর বিশ্ব সংকটে পরিণত হতে পারে এবং এটি আমাদের শিখিয়েছে যে জোরালো সম্মিলিত উদ্যোগই বিশ্বব্যাপী সংকট মোকাবেলার একমাত্র উপায়।’

প্রধানমন্ত্রী প্যারিস চুক্তি জলবায়ু অর্থ সংস্থানের জন্য উন্নত দেশগুলোর বাধ্যবাধকতা পুনঃনিশ্চিত করেছে বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘এমডিবিস, আইএফআইএস-এর রেয়াতি অর্থায়ন এবং কর মওকুফের মাধ্যমে জলবায়ু অর্থায়নে আরো জোরদার ব্যবস্থার জন্য এগিয়ে আসা উচিত এবং সবার জন্য প্রযুক্তির প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা উচিত।’ এছাড়া চরম আবহাওয়ার ঘটনা ইতিমধ্যে সহিংস সংঘাতের চেয়েও অনেক বেশি লোককে বাস্তুচ্যুত করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, এ কারণেই ‘লোকসান ও ক্ষয়ক্ষতির’ বিধানকে মূলধারায় নিয়ে আসা উচিত। একইভাবে, বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের স্থানান্তর এবং সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক আলোচনায় যথাযথ মনোনিবেশ দরকার। প্যারিসে কপ-২১ চলাকালীন বিশ্ব নেতারা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং জলবায়ু সহনশীলতা অর্জনে একটি যুগান্তকারী চুক্তিতে সম্মত হয়েছেন।

বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখার লক্ষ্য ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তবে আমাদের অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে লক্ষ্য অর্জনে আমাদের বর্তমান প্রচেষ্টা অত্যন্ত অপর্যাপ্ত। তাই, আমাদের নিজেদের এবং আমাদের গ্রহকে বাঁচাতে বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন সীমাবদ্ধ করতে আমাদের জোরদার, গতিশীল ও আশু কর্ম-পরিকল্পনা প্রয়োজন।

জলবায়ু-জনিত প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য দক্ষিণ এশিয়াকে সবচেয়ে দুর্বল অঞ্চল হিসাবে বর্ণনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সমুদ্রের স্তর এক মিটার বৃদ্ধি পেলে উপকূলীয় এবং ছোট দ্বীপগুলোর লক্ষ লক্ষ মানুষ জলবায়ু উদ্বাস্তু হয় পড়বে।

তিনি বলেন, গ্লেশিয়াল লেক আউটবার্স্ট, ক্লাউড আউটবার্স্ট বা ভারী বৃষ্টিপাত ভুটান, নেপাল এবং ভারতের বিভিন্ন অংশের মতো হিমালয়ের পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে বিপর্যয়কর প্রভাব ফেলবে।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণায়নে কোনও অবদান না থাকলেও মোকাবেলা করার সীমিত ক্ষমতা এবং নির্দিষ্ট ভৌগলিক বৈশিষ্ট্যের জন্য বাংলাদেশ অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। এডিবি’র পূর্বাভাস অনুসারে, বর্তমান নির্গমন অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ ২০২০ সালের মধ্যে তার জিডিপির ২% সমতুল্য এবং ২১০০ এর মধ্যে ৯.৪% পর্যন্ত বার্ষিক অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখোমুখি হতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি নিশ্চিত যে এটি অন্যান্য এলডিসি এবং জলবায়ুর ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর জন্যও সত্য। প্রধানমন্ত্রী অবশ্য বলেন যে তারা বাংলাদেশের জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে চমৎকার অভিযোজন এবং প্রশমন কার্যক্রম গ্রহণ করেছেন।

তিনি বলেন, এ বছর আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিব বর্ষ’ উপলক্ষে দেশজুড়ে ১১.৫ মিলিয়ন গাছ রোপণ করছি। আমরা একটি সুরক্ষিত ভবিষ্যতের জন্য সম্পদ সংস্থানের লক্ষ্যে ‘মুজিব জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনা’ও চালু করেছি। তিনি আনন্দের সাথে উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশ দ্বিতীয় মেয়াদে জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্ত ফোরামের নেতৃত্বের জন্য নির্বাচিত হওয়ার সম্মান লাভ করেছে।

তিনি জানান, আমরা ঢাকায় দক্ষিণ এশিয়ার জন্য অভিযোজন সম্পর্কিত গ্লোবাল সেন্টারের আঞ্চলিক অফিস প্রতিষ্ঠা করেছি। তিনি আরো জানান যে, বাংলাদেশ ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর মধ্যরাতের মধ্যে সকল দেশের জন্য নতুন এবং বর্ধিত এনডিসি দিতে সিভিএফ ‘মিডনাইট সার্ভাইভাল ফর ক্লাইমেট’ উদ্যোগ চালু করেছে।

এ জাতীয় আরো সংবাদ