1. successrony@gmail.com : Mehedi Hasan Rony :
  2. arif_rashid@live.com : Arif Rashid : Arif Rashid
  3. meherunnesa3285@gmail.com : Meherun Nesa : Meherun Nesa
বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২, ০৬:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কোলা ইউনিয়ন পরিষদের ২০২২-২৩ অর্থবছরের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষনা সিরাজদিখানে পল্লী বিদ্যুতের মনগড়া বিদ্যুৎ বিলে দিশেহারা গ্রাহক ।। জনমনে অশান্তি! সিরাজদিখানে দোকান বাকী না দেওয়ায় শারীরিক প্রতিবন্ধিকে মারধর ।। সংবাদ সংগ্রহ করায় সাংবাদিকের উপর চড়াও! শাহজাদপুরে চিরদিনের জন্য রেখে এলাম আমাদের কলিজার টুকরা ফাহাদ আব্বুকে ‘পুতিন কবে আমাদের রেলভ্রমণ করে গেলেন কেউ জানলাম না’ ভূট্টা চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকদের!  কচুর লতি বিক্রি করতে বাজারে বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক! পি কে হালদারকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করবে ভারত এবার আসছে পানযোগ্য স্যানিটাইজার বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তি: নুরের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে অভিযোগ

ডা. সাবরিনার জামিন

দিনলিপি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ২৯০ বার

তথ্য গোপন করে দ্বিতীয় এনআইডি করার অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দায়ের করা মামলায় জামিন পেয়েছেন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের বরখাস্ত হওয়া চিকিৎসক ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী।

রোববার (২৩ ডিসেম্বর) বাড্ডা থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক মাঝহারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছন।

গত ৩১ আগস্ট ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে গুলশান থানা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ মমিন মিয়া বাদী হয়ে রাজধানীর বাড্ডা থানায় সাবরিনার বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করেন।

মামলায় বলা হয়, মিথ্যা তথ্য দিয়ে দ্বৈত ভোটার হয়ে এবং একাধিক জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে আইন অনুযায়ী অপরাধ করেছেন সাবরিনা। তার দু’টি এনআইডির তথ্য তুলে ধরে বিবাদীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

ইসির মামলায় জামিন পেলেও কারামুক্ত হতে পারছেন না ডা. সাবরিনা। করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা নিয়ে প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন তিনি। কারামুক্ত হতে হলে তাকে এ মামলাতেও জামিন পেতে হবে। সাবরিনাকে কারামুক্ত করতে আইনি লড়াই চলছে বলে জানিয়েছেন ডা. সাবরিনার আইনজীবী প্রণব কান্তি ভৌমিক।

২০১০ সালের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইনের ১৪ ও ১৫ ধারায় এ মামলা দায়ের করা হয়েছে। ১৪ ধারায় মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের বিধান আছে। আর ১৫ ধারায় একাধিক জাতীয় পরিচয়পত্র নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলেও একই শাস্তি হতে পারে।

এ জাতীয় আরো সংবাদ