1. successrony@gmail.com : Mehedi Hasan Rony :
  2. arif_rashid@live.com : Arif Rashid : Arif Rashid
  3. meherunnesa3285@gmail.com : Meherun Nesa : Meherun Nesa
  4. rj.nazmul2500@gmail.com : Meherun Nesa : Meherun Nesa
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৮:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সিরাজদিখানে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থীদের জীবন বৃত্তান্ত সংগ্রহ শুরু প্রাচ্য-পাশ্চাত্যে ব্যবসায়িক সেতুবন্ধন গড়ে তুলবে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী সিরাজদিখানে পেরিলা প্রদর্শনীর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে বিকল্পধারা হতে কোন প্রার্থী দিব না: সাংসদ মাহি বি চৌধুরী সিরাজদিখানে ১০ লাখ টাকা ধার দিয়ে বেকায়দায় একটি পরিবার! সিরাজদিখানে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত ইউপি নির্বাচনে কেয়াইন ২নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য হতে চান রুবেল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বালুচর ১নং ওয়ার্ড সদস্য হতে চান ওয়াসিম আহমেদ ওমানকে হারিয়ে বিশ্বকাপে টিকে রইলো বাংলাদেশ সিরাজদিখানে ঈদ-এ মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

আদালতে হাজির হননি খালেদা জিয়া, আবার পেছাল শুনানি

দিনলিপি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৩০৫ বার

আদালতে খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতির কারণে আবার পেছাল গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার শুনানি। এ মামলার শুনানিতে মঙ্গলবার (২২ ডিসেম্বর) মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজির হননি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। মামলার পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ জানুয়ারি। এর ফলে ৩১ বারের মতো পেছাল এই মামলার অভিযোগ গঠন।

এদিকে মামলার শুনানি পেছানোয় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা। দুদকের আইনজীবী জানিয়েছেন, এ মামলায় অন্য সব আসামির শুনানি শেষ হয়েছে। শুধু খালদা জিয়ার শুনানি বাকি আছে। তিনি অসুস্থতার জন্য আদালতে আসছেন না।

গত ১৮ নভেম্বর খালেদা জিয়াসহ অপর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করেছিলেন আদালত। ওই দিন অসুস্থ থাকায় আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি তিনি। এ জন্য তার আইনজীবী জিয়া উদ্দিন জিয়া সময়ের আবেদন করেন। বিচারক নজরুল ইসলাম মামলার শুনানি মুলতবি রেখে নতুন দিন ধার্য করেন।

২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী বিএনপির চেয়ারপাসন ও চারদলীয় জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় এ মামলা করেন। মামলার পরদিন খালেদা জিয়া ও কোকোকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর মামলাটি অন্তর্ভুক্ত করা হয় জরুরি ক্ষমতা আইনে। পরের বছর ১৩ মে খালেদা জিয়াসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গ্যাটকোকে ঢাকার কমলাপুর আইসিডি ও চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের কাজ পাইয়ে দিয়ে রাষ্ট্রের ১৪ কোটি ৫৬ লাখ ৩৭ হাজার ৬১৬ টাকার ক্ষতি করেছেন।

মামলার ২৪ আসামির মধ্যে ৬ জন ইতোমধ্যে মারা গেছেন। তারা হলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান, আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া, এম কে আনোয়ার, জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মতিউর রহমান নিজামী (যুদ্ধাপরাধ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় ফাঁসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর), চট্টগ্রাম বন্দরের প্রধান অর্থ ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আহমেদ আবুল কাশেম ও বিএনপির চেয়ারপারসনের ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন বিএনপির সাবেক মন্ত্রী এম শামছুল ইসলাম, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান কমোডর জুলফিকার আলী, প্রয়াত মন্ত্রী কর্নেল (অব.) আকবর হোসেনের স্ত্রী জাহানারা আকবর, দুই ছেলে ইসমাইল হোসেন সায়মন এবং এ কে এম মুসা কাজল, এহসান ইউসুফ, সাবেক নৌসচিব জুলফিকার হায়দার চৌধুরী, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাবেক সদস্য এ কে রশিদ উদ্দিন আহমেদ, গ্লোবাল অ্যাগ্রোট্রেড প্রাইভেট লিমিটেডের (গ্যাটকো) পরিচালক শাহজাহান এম হাসিব, গ্যাটকোর পরিচালক সৈয়দ তানভির আহমেদ ও সৈয়দ গালিব আহমেদ, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান এ এস এম শাহাদত হোসেন, বন্দরের সাবেক পরিচালক (পরিবহন) এ এম সানোয়ার হোসেন ও বন্দরের সাবেক সদস্য লুৎফুল কবীর।

 

এ জাতীয় আরো সংবাদ