1. successrony@gmail.com : Mehedi Hasan Rony :
  2. arif_rashid@live.com : Arif Rashid : Arif Rashid
  3. meherunnesa3285@gmail.com : Meherun Nesa : Meherun Nesa
বুধবার, ১৮ মে ২০২২, ১২:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সিরাজদিখানে দোকান বাকী না দেওয়ায় শারীরিক প্রতিবন্ধিকে মারধর ।। সংবাদ সংগ্রহ করায় সাংবাদিকের উপর চড়াও! শাহজাদপুরে চিরদিনের জন্য রেখে এলাম আমাদের কলিজার টুকরা ফাহাদ আব্বুকে ‘পুতিন কবে আমাদের রেলভ্রমণ করে গেলেন কেউ জানলাম না’ ভূট্টা চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকদের!  কচুর লতি বিক্রি করতে বাজারে বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক! পি কে হালদারকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করবে ভারত এবার আসছে পানযোগ্য স্যানিটাইজার বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তি: নুরের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে অভিযোগ নুসরাতের রইল না কেউ, সকালে মারা গেলেন মা-বোন বিকেলে বাবা ঘর উপহার পেয়ে আনন্দের বন্যা ভূমি ও গৃহহীন পরিবারের সদস্যদের

ডায়াবেটিস থাকলেও খেতে পারেন মিষ্টি

দিনলিপি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৬৪৩ বার

মধুমেহ বা ডায়াবিটিস মানেই মিষ্টি থেকে শতবস্ত দূরে। শরীরের ওজন বাড়লেও তাই। মিষ্টি খাওয়ার উপর জারি হয় নিষেধাজ্ঞা। কিন্তু কিছু মিষ্টি আছে যা ডায়বেটিসের উপর কোনও প্রভাব ফেলে না। ডায়াবিটিস বা ওজন বৃদ্ধির তোয়াক্কা না করেই খেতে পারেন এই সব মিষ্টি।

মিষ্টি খেতে কে না ভালবাসে। আর বাঙালি মাত্রই মিষ্টির পোকা। তাই ডায়াবিটিস বা মধুমেশ শরীরে দানা বাঁধলেই মুষড়ে পড়ে বাঙালি। কারণ একটাই মিষ্টি তখন নৈব নৈব চ। কিন্তু মন মানবে কেন? মিষ্টি দেখলেও তাই বাসনা উথলে ওঠে। কিন্তু জানেন কি? এমন কিছু মিষ্টি আছে যেগুলি ডায়াবিটিস হলেও খাওয়া যায়? তবে সেগুলি অবশ্যই হতে হবে ঘরে বানানো। কীভাবে বানাবেন?

ঘিয়ে যেহেতু চর্বি থাকে, তা ফ্যাট-দ্রবণীয় ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে এর জন্য প্রয়োজনীয়। শরীরে এই ভিটামিনগুলির তখনই আসে যখন ঘি, নারকেল তেল, অলিভ অয়েল ইত্যাদি শরীরে উপস্থিত থাকে। তবে মিষ্টি তৈরির সময় অতি অবশ্যই চিনি ও দুধ এড়িয়ে চলুন। কারণ দুধ খেয়ে মধুমেহ রোগীদের রক্তে ইনসুলিনের প্রভাব নিয়ন্ত্রণে থাকে না। বরং পরিবর্তে প্রাকৃতিক মধু, নারকেলের মাখন, গুড়, নারকেলের চিনি ইত্যাদি দিয়ে মিষ্টি বানাতে পারেন। তবে গরুর দুধ না হলেও অ্যামণ্ড, সয়াদুধ বা নারকেলের দুধ অথবা বাদাম দুধ দিয়েও মিষ্টি বানানো যায়। তাহলে একসঙ্গে ডাবল কাজ হয়। মিষ্টিও খাওয়া হল আবার রোগও বাড়ল না।

তবে সুস্থ থাকতে হলে অতি অবশ্যই নিয়মিত পরীক্ষানিরীক্ষা করান। নাহলে রোগ যে কখন শরীরের মধ্যে ডানা মেলবে তা বুঝতেও পারবেন না।

এ জাতীয় আরো সংবাদ