1. successrony@gmail.com : Mehedi Hasan Rony :
  2. arif_rashid@live.com : Arif Rashid : Arif Rashid
  3. meherunnesa3285@gmail.com : Meherun Nesa : Meherun Nesa
বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১১:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সিরাজদিখানের বালুচরে বেদখল হওয়া সরকারী রাস্তা উদ্ধার! ফুটবল বিশ্বকাপ মঞ্চে লাল সবুজের পতাকা হাতে বাঙালী যুবক! সিরাজদিখানে গভীর রাতে গৃহবধূ প্রেমিকার ঘরে পরকীয়া প্রেমিক পাকরাও, থানায় হস্তান্তর! সিরাজদিখানে বঙ্গবন্ধু ফুটবল টুর্নামেন্টের ২য় সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত অতিরিক্ত টাকা না দিলে ফাইল ছুড়ে ফেলে দেন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ! যুবলীগের কেন্দ্রীয় যুব-সমাবেশে সিরাজদিখানের দুই হাজার যুবলীগ নেতাকর্মীর যোগদান সিরাজদিখানে মজুদ কৃত আলু নিয়ে বিপাকে কৃষক! সিরাজদিখান সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে সক্রিয় প্রভাবশালী জালিয়াতি চক্রের দৌরাত্ম! সিরাজদিখানে গ্রীল কেটে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকাসহ ১০ লাখ টাকার মালামাল চুরি! বিড়াল হত্যার বিচার চেয়ে তরুণী থানায়। অভিযোগ শুনে পুলিশের হাসিঠাট্টা

শুভ জন্মদিন তোফায়েল আহমেদ

দিনলিপি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২০
  • ৩২০ বার

বঙ্গবন্ধুর স্নেহধন্য ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য জননেতা তোফায়েল আহমেদের ৭৮তম জন্মদিন আজ। ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলার কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার বাবা আজহার আলী ও মা ফাতেমা খানম ছিলেন এলাকার সম্মানিত ব্যক্তিত্ব। তার স্ত্রী আনোয়ারা বেগম এবং তাদের একমাত্র কন্যা তাসলিমা আহমেদ জামান (মুন্নী)।

কলেজ জীবনেই সক্রিয় রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিব বাহিনীর অন্যতম প্রধান ও ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের মহানায়কখ্যাত তোফায়েল আহমেদ। সেই সময় ছাত্র সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ছিলেন তোফায়েল আহমেদ। ওই সময় ‘সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা কর্মসূচিকে ১১ দফায় অন্তর্ভুক্ত করে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেন। এই গণঅভ্যুত্থানে পাকিস্তানি স্বৈরশাসক ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ৩৩ মাস কারাগারে থাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ‘আগরতলা মামলা’য় আটক সব রাজবন্দিকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সভার সভাপতি হিসেবে ১০ লাখের বেশি মানুষের উপস্থিতিতে তোফায়েল আহমেদ শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন। ১৯৬৯ সালে ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি।

১৯৭০ সালে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে বঙ্গবন্ধুর সাহচর্যে আসেন তোফায়েল আহমেদ। সত্তরের ঐতিহাসিক নির্বাচনে ভোলার দৌলতখান-তজুমদ্দিন-মনপুরা আসন থেকে মাত্র ২৭ বছর বয়সে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে অন্যতম সংগঠক এবং ‘মুজিব বাহিনী’র অঞ্চলভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত চার প্রধানের একজন ছিলেন তিনি। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগরে প্রতিষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ গণপরিষদ’ ও ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের অন্যতম সংগঠক ছিলেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী তোফায়েল আহমেদ স্বাধীন দেশে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৭৫ সালের মর্মন্তুদ ঘটনার পর করেছেন কারাবরণ। সাংগঠনিক সম্পাদক, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যসহ দলীয় বিভিন্ন পদে কাজ করেছেন। নিজ জেলা ভোলা থেকে আটবার নির্বাচিত হয়েছেন সংসদ সদস্য। গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার মন্ত্রিসভায়ও।
আলোকিত বাংলাদেশ

এ জাতীয় আরো সংবাদ