1. successrony@gmail.com : Mehedi Hasan Rony :
  2. arif_rashid@live.com : Arif Rashid : Arif Rashid
  3. meherunnesa3285@gmail.com : Meherun Nesa : Meherun Nesa
বুধবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৩, ১১:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সিরাজদিখানে অযত্ন অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী, দেখার কেউ নেউ! জনস্বার্থে দেওয়া স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকের উপর হামলা! তৃণমূল সাংবাদিক মহল ক্ষুব্ধ। সিরাজদিখানে শেখ সাহেব খ্যাত রশিদ মাস্টারের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্বরণ সভা! সিরাজদিখানে লাউ গাছ কেটে কৃষকের ক্ষতি সাধনের অভিযোগ! শেখ সাহেব খ্যাত রশিদ মাস্টারের ১৭ তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে ঢাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তা জোরদার! ফাইনালের আগে মেসিকে ছেলের আবেগঘন চিঠি! বিশ্বকাপঃ আজ সবকিছুই লিওনেল মেসি ও আরজেন্টিনার জন্য! ‘সাব -রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা অবমাননা’ শিরোনামে স্থানীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা সিরাজদিখানে রাজনৈতিক কোন্দলে বিজয় দিবসের শ্রদ্ধা নিবেদনে অনিহা ছাত্রলীগের!

সিরাজদিখানে অযত্ন অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী, দেখার কেউ নেউ!

মোহাম্মদ রোমান হাওলাদার
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ৩ বার

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে অযত্ন আর অবহেলায় পরে নষ্ট হচ্ছে প্রায় লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরী। অযত্নে পরে থাকার কারণে দীর্ঘদিন ধরে লাইব্রেরীর কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে।ফলে বই সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন পাঠকরা।সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ ঘুরে বেশ কয়েকটি পরিষদের আঙিনা ও বারান্দায় ভাঙা ভ্যানের দেখা মিললেও এর মধ্যে কয়েকটি ইউনিয়ন পরিষদে ভ্রাম্যমান লাইব্রেরীর অস্তিত্বই খুঁজে পাওয়া যায় নি। উপজেলার কোলা ইউনিয়ন পরিষদের চিত্র একই। লাইব্রেরীর অস্তিত্ব আছে তবে ব্যবহার যোগ্য নয়। অযত্ন আর অবহেলায় দিনের পর দিন ফেলে রাখার কারণে সেটিও প্রায় অচল হতে শুরু করেছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ভ্রাম্যমান লাইব্রেরীর কার্যক্রম চালু হয়েছিলো ঠিক তবে চলতে চলতে ক্লান্ত লাইব্রেরী গুলোর ঠাই হয়েছে পরিষদের আঙিনায় কিংবা আশপাশের পরিত্যাক্ত কোন স্থানে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০১৫ সালে মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে জেলার ৬টি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সার্বিক তত্ত্বাবধানে জেলার ৬৭টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভায় একটি করে মোট ৬৯টি ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরী চালু করা হয়। ভ্রাম্যমান লাইব্রেরীর কার্যক্রম চালুর পর ইউনিয়নের নিজস্ব অর্থায়নে লাইব্রেরির যাবতীয় খোঁজ খবর ও বইয়ের চাহিদা রেজিস্ট্রার তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয় ইউপি সচিবদের। তবে কোলা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোঃ জালাল উদ্দীন বললেন ভিন্ন কথা, তিনি মুঠোফোনে বলেন, ডিসি স্যার সব ইউনিয়নের একসাথে ভ্রাম্যমান লাইব্রেরীর প্রকল্প নিয়েছিলেন এখন সে প্রকল্প অকার্যকর। শুধু কোলা ইউনিয়নের লাইব্রেরী ভাঙা না সব খানে একই রকম অবস্থা। ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী নিয়ে একজন গ্রাম পুলিশ বের হলে তাকে দিতে হবে ১০ হাজার। এ টাকা দিবে কে?

রশুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট আবু সাঈদের কাছে লাইব্রেরী সংক্রান্তে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমি নির্বাচিত হওয়ার পর লাইব্রেরী দেখতে পাইনি। আমার এখানে ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী নেই। তবে আমি ব্যক্তিগত ভাবে আমার অফিসে ছোট পরিসরে লাইব্রেরী বানিয়েছি। যাতে মানুষ এসে পড়তে পারে। এখানে ৪০ টির উপরে বই রাখা আছে। জ্ঞান অর্জনে বইয়ের কোন বিকল্প নেই। রক্ষিতপাড়া বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম চমক নামে এক যুবক বলেন,আমাদের গ্রামে এখনো অনেক মানুষের মধ্যে বই পড়ার প্রবণতা আছে। কিন্ত বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী কার্যক্রম বহুদিন ধরে বন্ধ থাকায় তারা বই পড়তে পারছে না। এরপরও গ্রামের অনেক মানুষ এখনো সিংপাড়ার লাইব্রেরীতে বই পড়ার জন্য যায়। আমরা চাই ভ্রাম্যমান লাইব্রেরীর কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হোক। এর মাধ্যমে বইয়ের সাথে আমাদের মেল বন্ধন তৈরি হোক। এ ব্যপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শরিফুল আলম তানভীর বলেন, আমরা এটা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে কথা বলেছি। খুব শীঘ্রই ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী আবার যেনো সচল হয় সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ জাতীয় আরো সংবাদ