1. successrony@gmail.com : Mehedi Hasan Rony :
  2. arif_rashid@live.com : Arif Rashid : Arif Rashid
  3. meherunnesa3285@gmail.com : Meherun Nesa : Meherun Nesa
বুধবার, ১৮ মে ২০২২, ০৩:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সিরাজদিখানে দোকান বাকী না দেওয়ায় শারীরিক প্রতিবন্ধিকে মারধর ।। সংবাদ সংগ্রহ করায় সাংবাদিকের উপর চড়াও! শাহজাদপুরে চিরদিনের জন্য রেখে এলাম আমাদের কলিজার টুকরা ফাহাদ আব্বুকে ‘পুতিন কবে আমাদের রেলভ্রমণ করে গেলেন কেউ জানলাম না’ ভূট্টা চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকদের!  কচুর লতি বিক্রি করতে বাজারে বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক! পি কে হালদারকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করবে ভারত এবার আসছে পানযোগ্য স্যানিটাইজার বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তি: নুরের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে অভিযোগ নুসরাতের রইল না কেউ, সকালে মারা গেলেন মা-বোন বিকেলে বাবা ঘর উপহার পেয়ে আনন্দের বন্যা ভূমি ও গৃহহীন পরিবারের সদস্যদের

সিরাজদিখানে ১০ লাখ টাকা ধার দিয়ে বেকায়দায় একটি পরিবার!

মোহাম্মদ রোমান হাওলাদার
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২১
  • ৩৪৩ বার

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে দুই নারীকে ১০ লাখ লাখ টাকা ধার দিয়ে বেকায়দায় পরেছে উপজেলার লতব্দী ইউনিয়নের নতুন ভাষানচন গ্রামের নিজাম খান ও তার পরিবার। ভুক্তভোগী পরিবারটি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ থেকে শুরু করে থানা পুলিশের দারস্থ হওয়ার পাশাপাশি ও আদালতে মামলা করে কোন প্রতিকার পাচ্ছেন না। পাওনা টাকা ফেরত পেতে ভুক্তভোগী নিজাম খান ও তার স্ত্রী লাভলি বেগম সম্প্রতি সিরাজদিখান থানায় নতুন ভাসানচর গ্রামের মনির হোসেনের স্ত্রী ফারজানাস বেগম (৪০) ও তার মেয়ে সাথী (২০) দের বিবাদী করে লিখিত অভিযোগ করেন এবং এর আগে একই গ্রামের বজলুর রহমানের মেয়ে শারমিন আক্তার (৩০) বিবাদী করে ঢাকা চীফ মেট্রো পলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট জর্জ আদালতে একটি সিআর মামলা দায়ের করেন নিজাম খান। যার নং-৮৫৫।

ভুক্তভোগী পরিবারের কর্তা নিজাম খান গতকাল রবিবার সাংবাদিকদের দারস্থ হয়ে পাওনা টাকা আদায়ে পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামণা করেছেন। তিনি বলেন, নতুন ভাষানচর গ্রামের মনির হোসেনের স্ত্রী ফারজানা বেগম ও বজলুর রহমানের মেয়ে শারমিন আক্তার আমাদের প্রতিবেশী। সেই সুবাদে ফারজানা বেগম আমার স্ত্রী লাভলী বেগমের কাছ থেকে গত ফেব্রুয়ারী মাসের ৯ তারিখে ৫০ হাজার টাকা এবং আমার কাছ থেকে গত মে মাসের ২৬ তারিখে পুনারায় আমার কাছ থেকে বিদেশের কথা বলে ১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা ধার নেয়।

টাকা ধার নেওয়ার পর সে সময় মত পরিশোধ না করায় আমি এবং আমার স্ত্রী তার কাছে টাকা চাইতে গেলে সে বিভিন্ন প্রকার টালবাহানা করে আমাদের ঘুরাইতে থাকে। এক পর্যায়ে সে আমাদের পাওনা টাকা দিবে না বলে আমাদের হুমকি দেয়। আমার স্ত্রী এবং আমি থানায় এ ব্যপারে লিখিত অভিযোগ করি। কিন্তু থানায় অভিযোগ করেও কোন লাভ হয় নাই। তিনি আরো বলেন, এর আগে শারমিন আক্তার আমার কাছ থেকে বিদেশের কথা বলে ৮ লাখ টাকা নগদ ধার নেয়। টাকা ফেরত দেওয়া নিয়ে সে টালবাহানা শুরু করলে উকিলের মাধ্যমে ১ মাসের সময় দিয়ে নোটিশ পাঠাই। পরে শারমিন আক্তার আমাকে ন্যাশনাল ব্যাংক বালুচর শাখার হিসাব নং-১১৭৫০০৩৬৮০৯৩৪, চেক নং-৬৪৫২৯৫৪ মুলে ৮ লাখ টাকার চেক ইস্যু করে আমাকে দিয়ে বলে ব্যাংকে টাকা আছে তুলে নেন। আমি জুলাই মাসের ২৮ তারিখে তার দেওয়া চেক নিয়ে ব্যাংকে টাকা তুলতে গিয়ে দেখি তার একাউন্টে কোন টাকা নেই। পরে এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলমের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে কোর্টে চেক জালিয়াতি মামলা করি। আমি ২-৩ বছর আগে কুয়েত থেকে দেশে আসি। আমি এবং আমার স্ত্রী বারংবার তাদের টাকা দিয়ে ভুল করেছি। আমার কষ্টের টাকা তাদের ধার দিয়ে বর্তমানে আমি খুব কষ্টে দিন পার করছি। পাওনা টাকা ফেরত পেতে আমি প্রশাসনে জস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এদিকে নিজাম খান ও তার স্ত্রী লাভলি বেগম স্থানীয় লোকজনের কাছে সুদে টাকা লাগিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সুদের ব্যবসা করে আসছে মর্মে স্থানীয় লোকজন জানিয়েছে। তবে এ ব্যপারে সুস্পষ্ট কোন তথ্য কেউ দিতে পারে নি। এ ব্যপারে অভিযুক্ত ফারজানা ও শারমিন আক্তারের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায় নি। সিরাজদিখান থানার এএসআই মাহমুদুল হাসান জানান, থানার ওসি বরাবর অভিযোগ হয়েছে, তদন্ত চলছে।

এ জাতীয় আরো সংবাদ