1. successrony@gmail.com : Mehedi Hasan Rony :
  2. arif_rashid@live.com : Arif Rashid : Arif Rashid
  3. meherunnesa3285@gmail.com : Meherun Nesa : Meherun Nesa
রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ০২:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:

দখল-দূষণে অস্তিত্ব সংকটে সিরাজদিখানের বেশ কয়েকটি খাল

মোহাম্মদ রোমান হাওলাদার
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ১৪৫ বার

দখলে-দূষণে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার জৈনসার ও ইছাপুরা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী খাল অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। খালটি ঘেষে অসংখ্য বাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনা গড়ে উঠেছে। এছাড়া ময়লা, আবর্জনা ও মানব সৃষ্ট বর্জ্য খালটিতে যত্রতত্র ফেলার কারণে খালের পানি দূষিত হওয়ার পাশাপাশি পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে ব্যহত হচ্ছে চাষবাদ। খাল ঘেষে গড়ে উঠা বাড়িঘর ও বিভিন্ন স্থাপনার মালিকরা খাল থেকে একটু একটু মাটি কেটে নিয়ে তাদের সীমানা অতিক্রম করে ভরাট করে খালটি ক্রমশই দখলে নিচ্ছেন মর্মে অভিযোগ রয়েছে।

ইছাপুরা ও জৈনসার ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে বয়ে চলা খালটি থেকে কৃষি কাজে ব্যবহার্য পানির যোগান দিয়ে আসছিলো স্থানীয় কৃষকরা। কিন্তু সরকারী ভাবে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে প্রতিনিয়ত দখল ও দুষণের কবলে পরে খালটি অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। ফলে কৃষি কাজে ব্যবহার্য পানির সংকট দেখা দিয়েছে। এতে স্থানীয় কৃষকদের গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত খরচ। দীর্ঘদিনের পুরোনো এ খালটি পুনরুদ্ধার ও পুনঃখনের দাবী জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এদিকে জৈনসার ইউনিয়নের সীমানাবর্তী ইছাপুরা ইউনিয়নের চালতাতলা গ্রাম সংলগ্ন একটি ফসলী জমিতে বালু ভরাট করে প্রজেক্ট বানিয়েছেন জৈনসার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম দুদু ও ইউপি সদস্য আওলাদ হোসেন। ফলে ভরাটকৃত বালু খালটিতে পরে ভরাট হয়ে গেছে। এতে করে খালের পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে গিয়ে কৃষি কাজে ব্যবহার্য পানির সংকট দেখা দিয়েছে। হুমকির মুখে পরেছে খালটির অস্তিত্ব।

স্থানীয় সুশীল সমাজের সচেতন মহলের লোকজন খালটির অস্তিত্ব সঙ্কটে পরায় সরকারী ভাবে রক্ষণাবেক্ষণ না করাকেই দায়ী করেছেন। তাদের ভাষ্য, সরকারী ভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে আবহমান খালটি দখলদারিত্বের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হতো।অন্যদিকে গত বছরের মে মাসে ২ তারিখে ৮০ লাখ ৬হাজার ৮৪৯ টাকা ব্যয়ে মালখানগর ইউনিয়নের নাটেশ্বর-বাড়ৈ গ্রামের ৪টি শাখা খাল, যার দৈর্ঘ্যে ৩.২৪ কিলোমিটার খনন প্রকল্পের উদ্বোধন করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জাইকার ক্ষুদ্রকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প। কিন্তু উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়নের মধ্যে বেশ কয়েকটি খাল খনন জরুরী হয়ে পরেছে। আবহমান খালসমূহ খনন না করা হলে খাল সমূহ বেদখলসহ খালের অস্তিত্ব সঙ্কট ও চাষাবাদে পানি সংকটে পরবে স্থানীয় কৃষকরা। এ ব্যপারে সিরাজদিখান উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাসনিম আক্তার জানান, ইতোমধ্যে আমরা খাল পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নিয়েছি। যদি কোথাও কোন খাল দখল হয় তাহলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ জাতীয় আরো সংবাদ